কুমিল্লার দাউদকান্দিতে আধুনিক নৌবন্দর স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করতে গোমতী নদীর তীরবর্তী এলাকা পরিদর্শন করেছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল।
মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দাউদকান্দিতে নৌবন্দর নির্মাণের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে প্রতিনিধি দলটি প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শন করে। এ সময় নদীর নাব্যতা, তীরবর্তী এলাকার অবকাঠামো, যোগাযোগব্যবস্থা এবং সম্ভাব্য নৌবন্দর স্থাপনের স্থান পর্যবেক্ষণ করা হয়।
পরিদর্শন শেষে প্রতিনিধি দলের সদস্যরা সম্ভাব্য স্থান ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে সন্তোষ প্রকাশ করেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
এ সময় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন উপস্থিত নেতাকর্মী ও স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের উদ্দেশে বক্তব্য দেন।
তিনি বলেন, দাউদকান্দিতে নৌবন্দর স্থাপন হলে নৌ যোগাযোগ, ব্যবসা-বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহনে গতি আসবে। পাশাপাশি স্থানীয় অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান ও বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
খন্দকার মারুফ হোসেন আরও বলেন, বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে দেশের উন্নয়ন ও জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন কার্যক্রম চলছে। তাঁর দাবি, দাউদকান্দি নৌবন্দর প্রতিষ্ঠা হলে এটি এলাকার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি নেতাকর্মীদের মানুষের কল্যাণে কাজ করার এবং তৃণমূল পর্যায়ে সক্রিয় থাকার আহ্বান জানান।
নৌবন্দর স্থাপিত হলে দাউদকান্দির নৌ যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসা-বাণিজ্য ও পণ্য পরিবহন সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করছেন স্থানীয়রা।
স্থান পরিদর্শনের সময় বিআইডব্লিউটিএর পরিকল্পনা বিভাগের পরিচালক মুহম্মদ মহিউদ্দিন চৌধুরী, নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের অতিরিক্ত পরিচালক মো. আবদুস সালাম, মেঘনা ঘাট নৌবন্দরের বন্দর ও পরিবহন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, নির্বাহী প্রকৌশলী নেপাল চন্দ্র দেবনাথসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া দাউদকান্দি পৌর বিএনপির আহ্বায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক পিটার চৌধুরী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুস সাত্তার, কামাল হোসেন এবং পৌর যুবদলের আহ্বায়ক শরীফ চৌধুরীসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।



