রাষ্ট্রপতি পদে এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদের প্রার্থিতা নিশ্চিত করতে ১১ দলীয় জোটের একটি প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে নির্বাচন কমিশন থেকে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন জোটের নেতারা।
এ সময় জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আযাদ সাংবাদিকদের বলেন, রাজনৈতিক সংস্কার হলে অলি আহমদ সবার কাছে গ্রহণযোগ্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচিত হতে পারতেন। তবে সেই সম্ভাবনা বাস্তবায়িত না হওয়াকে তিনি জাতির জন্য দুর্ভাগ্যজনক বলে মন্তব্য করেন।
হামিদুর রহমান আযাদ অভিযোগ করেন, বিএনপির অবস্থান এবং সংস্কারের বিষয়ে তাদের অনাগ্রহের কারণে একজন দক্ষ ও যোগ্য ব্যক্তির সেবা থেকে রাষ্ট্র বঞ্চিত হয়েছে।
নির্বাচনে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থী জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট কেন প্রার্থী দিয়েছে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের কাছে জয়-পরাজয়ের চেয়ে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়াটিই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদ। এই পদেও প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক নির্বাচন না হলে গণতান্ত্রিক চর্চা বাধাগ্রস্ত হয়। তাই তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ করার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া জোরদার করতে চান।
হামিদুর রহমান আরও অভিযোগ করেন, বিএনপি রাষ্ট্র ও জনগণের সঙ্গে ‘দ্বিচারিতা’ করেছে এবং গণভোটে জনগণের দেওয়া রায় বাস্তবায়ন করেনি। তার দাবি, গণভোটের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হলে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের বিষয়টিও আলোচনায় আসত।
জামায়াতের এই নেতা বলেন, বর্তমান ব্যবস্থায় সংসদ সদস্যরা নিজেদের মত অনুযায়ী ভোট দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বাধীন নন। দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে তাদের ভোটাধিকার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে বলে তিনি দাবি করেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়িত হলে সংসদ সদস্যদের ভোটের স্বাধীনতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার প্রতিফলন ঘটত বলে মন্তব্য করেন তিনি।



