tanaka
প্রচ্ছদলাইফষ্টাইলবিনোদনসম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মন্ত্র জানালেন ঐশ্বরিয়ার সাবেক প্রেমিক বিবেক

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার মন্ত্র জানালেন ঐশ্বরিয়ার সাবেক প্রেমিক বিবেক

সম্পর্ক টিকিয়ে রাখা কি সত্যিই কঠিন? বর্তমান সময়ে সম্পর্কের স্থায়িত্ব নিয়ে যখন নানা প্রশ্ন উঠছে, তখন এ বিষয়ে নিজের মতামত জানিয়েছেন বলিউড অভিনেতা । ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সাবেক এই প্রেমিকের মতে, শুধু ভালোবাসা দিয়ে একটি সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী করা যায় না। এর সঙ্গে প্রয়োজন সময়, পারস্পরিক সম্মান ও মানসিক উপস্থিতি।

বিবেক বলেন, ভালোবাসা নিঃসন্দেহে সুন্দর একটি অনুভূতি। তবে সময় ও সম্মান না থাকলে সেই ভালোবাসা টেকসই হয় না। বর্তমান সময়ে মানুষ নানা কাজে ব্যস্ত থাকায় সঙ্গীর সঙ্গে একান্তে সময় কাটানোর সুযোগ কমে যাচ্ছে। তাই সঙ্গী যখন সময় চান, সেটিকে বিরক্তি হিসেবে না দেখে বরং সৌভাগ্য হিসেবে নেওয়া উচিত।

সম্পর্কের ভিত্তি পারস্পরিক সম্মান

বিবেকের মতে, সময় দেওয়ার পাশাপাশি সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হলো পারস্পরিক সম্মান। শারীরিক বা মৌখিক— কোনো ধরনের হেনস্তাই সম্পর্কের মধ্যে গ্রহণযোগ্য হওয়া উচিত নয়।

দুজন মানুষ একে অপরের সঙ্গে কীভাবে কথা বলছেন, একে অপরের মতামত ও অনুভূতিকে কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন—এসবই সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। তার মতে, বিয়েতে দুজন মানুষের মর্যাদা ও অবস্থান সমান হওয়া প্রয়োজন।

দামি উপহার নয়, প্রয়োজন সময় ও যত্ন

সম্পর্ক ভালো রাখতে দামি উপহার, বিলাসবহুল জীবন কিংবা বছরে একাধিকবার বিদেশ ভ্রমণ অপরিহার্য নয় বলেও মনে করেন এই অভিনেতা। বরং সঙ্গীকে সময় দেওয়া, মন দিয়ে তার কথা শোনা এবং তার অনুভূতির প্রতি সম্মান দেখানোই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

তার ভাষায়, ভালোবাসার পাশাপাশি যদি যত্ন ও বোঝাপড়া থাকে, তাহলে সম্পর্কের বন্ধন আরও দৃঢ় হয়। অনেক সময় ভালোবাসার চেয়েও পারস্পরিক সম্মান বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। যে সম্পর্কে সম্মানের অভাব রয়েছে, সেই সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার সম্ভাবনাও কম।

একই ছাদের নিচে থেকেও দূরত্ব তৈরি হতে পারে

বিবেক আরও বলেন, ভালোবাসা মানেই সবসময় পাশাপাশি থাকা নয়। একই ছাদের নিচে থেকেও দুজন মানুষ যদি একে অপরকে সময় না দেন কিংবা মানসিকভাবে দূরে সরে যান, তাহলে সম্পর্কের ভিত দুর্বল হয়ে যেতে পারে।

তাই সম্পর্কের ক্ষেত্রে শুধু শারীরিকভাবে কাছাকাছি থাকা নয়, মানসিকভাবে একে অপরের পাশে থাকা, সঙ্গীর আবেগকে গুরুত্ব দেওয়া এবং প্রয়োজনের সময়ে তার জন্য ‘ইমোশনালি অ্যাভেলেবল’ থাকাটাই বেশি জরুরি।

বিবেকের মতে, ভালোবাসা, সময় ও সম্মানের মধ্যে ভারসাম্যই দীর্ঘস্থায়ী সম্পর্কের অন্যতম চাবিকাঠি।