tanaka

ইউএনও কার্যালয়ে হাসিমুখে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ, নারী কর্মকর্তাকে বদলি

রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে সেবাগ্রহীতার কাছ থেকে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে প্রশাসনিক কর্মকর্তা আফরোজা চৌধুরীকে বদলি করা হয়েছে। তাকে ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলা...
প্রচ্ছদজাতীয়দুই-একদিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন

দুই-একদিনের মধ্যে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগের গুঞ্জন

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী দুই-একদিনের মধ্যে পদত্যাগ করতে পারেন—এমন গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে জোরালো হয়েছে। বিভিন্ন সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার (২৪ জুলাই) তিনি পদত্যাগ করতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে। তবে দিনটি সাপ্তাহিক সরকারি ছুটি হওয়ায় অনেকে মনে করছেন, এ সিদ্ধান্ত কার্যকর হতে আরও এক-দুদিন সময় লাগতে পারে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদে থাকা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা শুরু হয়। এরপর সংবিধান অনুযায়ী তার কাছেই শপথ নেয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার। পরবর্তীতে ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারও তার কাছেই শপথ গ্রহণ করে।

গত দুই বছরে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন রাষ্ট্রপতির অপসারণের দাবি জানালেও বিএনপি এ দাবির সঙ্গে একমত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, চলতি মাসের শুরুতে সরকারের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে মৌখিকভাবে পদত্যাগের অনুরোধ জানানো হয়। সে সময় তিনি কিছুটা সময় চেয়েছিলেন।

বঙ্গভবনের একাধিক কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতি যে কোনো সময় পদত্যাগ করতে পারেন। পারিবারিক সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, তিনি স্নায়ুবিষয়ক জটিলতায় ভুগছেন। সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) করা সিটি স্ক্যান ও এমআরআই পরীক্ষায় এ সমস্যা ধরা পড়েছে। পদত্যাগের পর স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।

এদিকে কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, চলতি বছরের ৯ মে রাষ্ট্রপতি চিকিৎসার উদ্দেশ্যে লন্ডনে যান এবং ১৮ মে দেশে ফেরেন। ওই সফরের সময় ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে তার টেলিফোনে কথা হয়েছিল বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আরও দাবি করা হয়েছে, বিষয়টি গোয়েন্দা সংস্থার নজরে আসার পরই তাকে পদত্যাগের বার্তা দেওয়া হয়। তবে এসব দাবির বিষয়ে রাষ্ট্রপতির কার্যালয় বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব পালনে অপারগ হলে বা পদত্যাগ করতে চাইলে জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিতে হয়। রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বিধান রয়েছে।