রাশিয়ার ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেনে নিহত ৪, আহত ৮৩ ইউক্রেনজুড়ে ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। শনিবার (২৩ মে) রাতভর থেকে রোববার (২৪ মে) ভোর পর্যন্ত চালানো এ হামলায় রাজধানী কিয়েভসহ বিভিন্ন অঞ্চলে অন্তত চারজন নিহত এবং ৮৩ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে ইউক্রেনীয় কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বলেছেন, হামলার প্রধান লক্ষ্য ছিল রাজধানী কিয়েভ। এছাড়া দেশের আরও কয়েকটি অঞ্চলেও হামলা চালানো হয়েছে। রাতভর বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে কিয়েভ ও আশপাশের এলাকা। এতে আবাসিক ভবন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন অবকাঠামোর ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।
রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, এ অভিযানে তারা ‘ওরেশনিক’ হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে। মস্কোর ভাষ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের পক্ষ থেকে বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলার জবাব হিসেবেই এই আক্রমণ চালানো হয়েছে।
এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অভিযোগ করেন, শুক্রবার রাশিয়া-নিয়ন্ত্রিত পূর্ব ইউক্রেনের স্টারোবিলস্ক শহরের একটি ছাত্রাবাসে ইউক্রেনীয় হামলায় ২১ জন নিহত হয়েছেন।
তবে ইউক্রেনের সশস্ত্র বাহিনীর জেনারেল স্টাফ জানিয়েছে, তারা স্টারোবিলস্কের কাছে একটি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছিল। তাদের দাবি, অভিযানের লক্ষ্য ছিল রুশ বাহিনীর একটি অভিজাত ইউনিট, কোনো বেসামরিক স্থাপনা নয়।
এদিকে হামলার আগেই প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সতর্ক করে বলেছিলেন, রাশিয়া বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং তারা ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শব্দের গতির ১০ গুণেরও বেশি বেগে ছুটতে সক্ষম এই হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা অত্যন্ত কঠিন। এটি প্রচলিত ও পারমাণবিক—উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহনে সক্ষম।



