যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যেকোনো ধরনের সামরিক আগ্রাসন বা শত্রুতামূলক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি।
বুধবার (৩ জুন) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন নতুন করে কোনো হামলা বা উসকানিমূলক পদক্ষেপ নিলে তেহরান দ্রুত ও দৃঢ় জবাব দেবে।
একই পোস্টে তিনি মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সাম্প্রতিক অভিযোগও প্রত্যাখ্যান করেন। রুবিও দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে ইরান হামলা চালিয়ে আঞ্চলিক অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে।
তবে আরাগচি বলেন, ইরানের সামরিক কর্মকাণ্ড আন্তর্জাতিক নৌপরিবহনকে লক্ষ্য করে পরিচালিত হচ্ছে না; বরং তা আত্মরক্ষার অংশ। তার দাবি, ইরানি বাহিনী এমন স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করছে, যেগুলো ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্র বেসামরিক জাহাজে হামলা চালায় এবং বিদ্যমান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করে।
তিনি আরও বলেন, “নিষেধাজ্ঞা ও যুদ্ধের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র যা অর্জন করতে পারেনি, আরও যুদ্ধ করেও তা অর্জন করতে পারবে না।”
কুয়েত ও বাহরাইনে সাম্প্রতিক হামলার প্রসঙ্গ টেনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেগুলোকেও আত্মরক্ষামূলক অভিযান হিসেবে বর্ণনা করেন।
এদিকে কুয়েতের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক হামলার সময় দেশটির আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ৩০টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ভূপাতিত করেছে। একই সময়ে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আঘাত হানা এক হামলায় একজন নিহত এবং কয়েক ডজন মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।
আরাগচির দাবি, ইরানি বাহিনীর লক্ষ্যবস্তু ছিল এমন সব সামরিক স্থাপনা, যেগুলো যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ব্যবহার করে এবং যেখান থেকে বেসামরিক জাহাজ চলাচলে হামলা কিংবা যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
সূত্র: আল জাজিরা



