tanaka
প্রচ্ছদসারাদেশনোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৭০ সদস্য আটক, ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের ১৭০ সদস্য আটক, ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা

নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে কিশোর গ্যাংয়ের ১৭০ সদস্যকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। তাদের মধ্যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অপরাধে সরাসরি সম্পৃক্ততার প্রমাণ না পাওয়ায় বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রোববার সকালে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন।

এর আগে শনিবার দিনব্যাপী জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় একযোগে এ অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, আটক ১৭০ জনের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১০ জনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে এবং ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বাকি ১৫২ জনকে সংশোধনের সুযোগ দিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়।

থানাভিত্তিক অভিযানে সবচেয়ে বেশি ৪৯ জনকে আটক করা হয় হাতিয়ায়। তাদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এবং ছয়জনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় ব্যবস্থা নিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকি ৪১ জনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।

বেগমগঞ্জ মডেল থানায় আটক করা হয় ৩২ জনকে। তাদের মধ্যে চারজনকে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দিয়ে বাকি ২৮ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১৮ জনের মধ্যে ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। বাকি ১২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জে ১৭ জন, কবিরহাটে ৯ জন, চাটখিলে ৬ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৪ জন, সেনবাগে ৩ জন এবং চরজব্বর থানায় ৩২ জনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে মামলা না থাকায় মুচলেকা নিয়ে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা নির্মূলে পুলিশের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, কিশোরদের অপরাধমুক্ত ও সুস্থ পরিবেশে বেড়ে ওঠা নিশ্চিত করতে শুধু পুলিশি তৎপরতাই নয়, অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধিসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে সচেতনতামূলক কার্যক্রম ও সামাজিক প্রতিরোধ জোরদার করা হবে।