গ্রাহকের ধর্মীয় ও আর্থিক প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের পাশাপাশি শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা বেছে নেওয়ার সুযোগ আরও সম্প্রসারণ করতে বাংলাদেশ ব্যাংকে ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান।
অর্থমন্ত্রী বলেন, গ্রাহকদের প্রয়োজন অনুযায়ী প্রচলিত ও ইসলামী ব্যাংকিং সেবার সুযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ইসলামী অর্থব্যবস্থার সঙ্গে বাংলাদেশের আর্থিক খাতকে আরও সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইসলামী ব্যাংকিংয়ের বর্তমান চিত্র
চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত দেশে পূর্ণাঙ্গ ইসলামী ব্যাংকগুলোর জন্য মোট ১,৬৯৯টি শাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে শহরাঞ্চলে ১,০৭৪টি এবং গ্রামাঞ্চলে ৬২৫টি শাখা রয়েছে।
অন্যদিকে, বর্তমানে ৩৫টি প্রচলিত ব্যাংক ইসলামী ব্যাংকিং সেবা দিচ্ছে। এসব ব্যাংকে রয়েছে ৭৫টি ইসলামী ব্যাংকিং শাখা এবং ১,১০২টি ইসলামী ব্যাংকিং উইন্ডো।
এছাড়া আরও দুটি প্রচলিত ব্যাংককে ইসলামী ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।
সরকারের দাবি, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ডুয়াল ব্যাংকিং ব্যবস্থার পরিধি আরও বাড়ানোর উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে।
এর অর্থ কী?
সহজভাবে বললে, একই ব্যাংকিং ব্যবস্থার মধ্যে গ্রাহকের জন্য প্রচলিত ব্যাংকিং ও শরিয়াহভিত্তিক ইসলামী ব্যাংকিং—দুই ধরনের সেবার সুযোগ আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য



