আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে নিরাপত্তাকর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ট্রাইব্যুনালে নিজ কার্যালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, কিছু আসামির গতিবিধি ও তৎপরতা সন্দেহজনক মনে হয়েছে। তাদের কাছে এমন কিছু গোপন তথ্য রয়েছে, যার ভিত্তিতে আশঙ্কা করা হচ্ছে—কিছু আসামি যেকোনো সময় নাশকতা বা ‘স্যাবোটাজ’ ঘটানোর চেষ্টা করতে পারেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের ভেতরে ও বাইরে প্রতিটি কর্মকাণ্ড নজরদারিতে রাখা হয়েছে। কেউ কোনো অপতৎপরতা চালানোর চেষ্টা করলে তা তাদের জন্য আত্মঘাতী হবে।
তিনি জানান, গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন হতে যাচ্ছে, যা গুমের ঘটনায় বিচারপ্রক্রিয়াকে নতুন গতি দিতে পারে। গুমের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা শক্তিশালী হওয়ায় প্রসিকিউশনও সতর্ক রয়েছে।
এদিকে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর অভিযোগের ভিত্তিতে মানবতাবিরোধী অপরাধের তদন্ত করছে ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা। রোববার গুমের শিকার ৫৫টি পরিবারের সদস্যরা ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে আসেন। তাদের জবানবন্দি গ্রহণ করবে তদন্ত সংস্থা।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, এসব পরিবারের অভিযোগের তদন্ত শুরু হওয়ার পর কিছু অভিযুক্তের তৎপরতা বেড়েছে। তাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও সতর্ক থাকতে হবে।
একই সঙ্গে গুমের ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেন তিনি। তদন্ত কার্যক্রম যাতে কোনোভাবেই বাধাগ্রস্ত না হয় এবং কেউ নাশকতা চালিয়ে তদন্তে বিঘ্ন ঘটাতে না পারে, সে বিষয়ে সরকার ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি।
ট্রাইব্যুনালের ভাষ্য অনুযায়ী, নিরাপত্তা ঝুঁকি বিবেচনায় এখন নজরদারি ও সতর্কতা আরও বাড়ানো হচ্ছে।



