ডিবি হেফাজতে থাকা বড় ভাই আবদুল লতিফ সিদ্দিকীকে নিয়ে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বলেছেন, ডিআরইউতে একটি সেমিনারে ড. কামাল হোসেন, লতিফ সিদ্দিকী ও অ্যাডভোকেট জেডআই খান পান্না উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কিছু লোক মব তৈরি করে অনুষ্ঠানটি বানচাল করে দেয়। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক দেশে এ ধরনের ঘটনার কোনো সাংবিধানিক বা আইনি সুযোগ নেই। মব নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হলে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) বিকেলে টাঙ্গাইলের সোনার বাংলায় নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, এখনো তাদের ডিবি অফিসে রাখা হয়েছে। লতিফ সিদ্দিকীর জন্ম না হলে টাঙ্গাইলের রাজনীতি আজকের অবস্থায় পৌঁছাত না। তিনি আরও বলেন, গ্রেফতার দেখানো হোক বা না হোক—একজন স্বাধীন নাগরিককে আটক রাখা সাংবিধানিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। লতিফ সিদ্দিকীর নামে কোনো ঋণখেলাপি বা মামলা নেই।
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমানে মানুষের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা নেই। এমন পরিস্থিতি চলতে থাকলে দেশ ধ্বংসের পথে যাবে। পাকিস্তান আমলে লতিফ সিদ্দিকী প্রায় ৪০ বার জেলে গিয়েছেন, বাংলাদেশেও কয়েকবার জেলে গেছেন। এখনো আইন দিয়েই লড়াই করা হবে বলে জানান তিনি।
নির্বাচন প্রসঙ্গে কাদের সিদ্দিকী বলেন, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটকেন্দ্রে যেতে দেওয়ার মতো সংস্কার জরুরি। অনির্বাচিত কারও দ্বারা এসব করা উচিত নয়।
তিনি আরও দাবি করেন, আজকের ঘটনায় মঞ্চ ৭১-এর সঙ্গে যুক্ত বক্তা ও শ্রোতাদের অনেককেই পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে। তাদের দ্রুত মুক্তি দিতে হবে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা আর ঘটবে না—এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তিনি।



