২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে চলে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এরপর থেকে তিনি ভারতেই অবস্থান করছেন। প্রায় দুই বছর পর আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনা।
এদিকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একটি অংশ মনে করছেন, শেখ হাসিনা দেশে ফিরলে দলটি নতুন করে রাজনৈতিকভাবে সক্রিয় হওয়ার সুযোগ পেতে পারে। অন্যদিকে তিনি দেশে না ফিরলে দলের ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব ও সাংগঠনিক কার্যক্রম নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বাড়তে পারে।
দলটির নেতাদের ভাষ্য, ঘোষিত সময়েই শেখ হাসিনা দেশে ফিরবেন—এমন প্রত্যাশা রয়েছে তাদের মধ্যে। এ নিয়ে দলটির নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের একাধিক বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এসব আলোচনার অংশ হিসেবে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার আগে আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনের কয়েকজন শীর্ষ নেতার দেশে ফেরার পরিকল্পনা রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। পাশাপাশি শেখ হাসিনার সঙ্গে আরও অনেক নেতাকর্মী দেশে ফিরবেন বলেও ঘোষণা দিয়েছেন দলটির নেতারা।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণাকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তিনি সত্যিই দেশে ফিরবেন কি না, তা নিয়েও কৌতূহল রয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ডিসেম্বরের মধ্যে তার দেশে ফেরা কিংবা না ফেরা—দুই পরিস্থিতিরই বাংলাদেশের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব পড়তে পারে।
তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ফেরার বিষয়ে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যেসব বক্তব্য আসছে, সেগুলো বাস্তব প্রস্তুতির ইঙ্গিত কি না, নাকি দলীয় নেতাকর্মীদের সক্রিয় রাখা এবং রাজনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল—তা নিয়েও আলোচনা রয়েছে।
বর্তমান পরিস্থিতিতে শেখ



