tanaka

ভরিতে সোনার দাম বাড়লো ২১৫৮ টাকা

দেশের বাজারে সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) সোনার গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকরাশিয়ার প্রতিরক্ষা কারখানায় ইউক্রেনের মিসাইল হামলার দাবি

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা কারখানায় ইউক্রেনের মিসাইল হামলার দাবি

রাশিয়ার ভলগোগ্রাদ অঞ্চলে অবস্থিত অন্যতম প্রধান প্রতিরক্ষা কারখানায় ইউক্রেনীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘ফ্ল্যামিঙ্গো’ মিসাইল দিয়ে সফল হামলা চালানোর দাবি করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শনিবার (২৭ জুন) দেওয়া এক বিবৃতিতে তিনি জানান, রাতভর পরিচালিত এই হামলায় কামানের গোলা ও মিসাইল উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী ‘টাইটান-বারিকাডি’ কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

একই সময়ে ইউক্রেনের গোয়েন্দা সংস্থা এসবিইউ রাশিয়ার ভ্লাদিমির অঞ্চলের ‘ভতোরোভো’ তেল পাম্পিং স্টেশনেও ড্রোন হামলা চালিয়েছে। চলতি মাসে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই স্থাপনাটিতে এটি ইউক্রেনের দ্বিতীয় হামলা। স্টেশনটি রাশিয়ার অভ্যন্তরীণ জ্বালানি সরবরাহ এবং বিদেশে তেল রপ্তানির অন্যতম প্রধান লজিস্টিক কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

দূরপাল্লার এসব হামলার বিষয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ার অভ্যন্তরে ইউক্রেনের ধারাবাহিক অভিযান শেষ পর্যন্ত একটি ন্যায়সঙ্গত ও মর্যাদাপূর্ণ শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি করবে।

উল্লেখ্য, রাজধানী কিয়েভসহ ইউক্রেনের বিভিন্ন শহরে রাশিয়ার সাম্প্রতিক ব্যাপক হামলার জবাবে গত কয়েক মাসে রাশিয়ার তেল শোধনাগার, সামরিক স্থাপনা এবং অস্ত্র উৎপাদন কারখানাগুলোতে ড্রোন ও মিসাইল হামলার মাত্রা বাড়িয়েছে ইউক্রেন।

যুদ্ধ এখন পঞ্চম বছরে গড়িয়েছে। প্রায় ১ হাজার ২০০ কিলোমিটার দীর্ঘ ফ্রন্টলাইনজুড়ে সংঘাত অব্যাহত রয়েছে। এ সময় রুশ বাহিনী প্রায় প্রতি রাতেই ইউক্রেনের বিভিন্ন অঞ্চলে শত শত ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালাচ্ছে বলে কিয়েভের দাবি।

এদিকে ইউক্রেনের রাষ্ট্রীয় জ্বালানি প্রতিষ্ঠান নাফতোগাজ জানিয়েছে, গত দুই দিনে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পোলতাভা ও খারকিভ অঞ্চলে রাশিয়ার ধারাবাহিক ড্রোন ও মিসাইল হামলায় তাদের একাধিক উৎপাদন কেন্দ্র ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

জেলেনস্কির দাবি, গত সপ্তাহে ইউক্রেনের ১৫টি অঞ্চলে রাশিয়া প্রায় ১ হাজার ৪০০টি ড্রোন এবং ১৯টি মিসাইল নিক্ষেপ করেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করা এবং মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে ড্রোন প্রযুক্তি ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ানোই বর্তমানে কিয়েভের প্রধান অগ্রাধিকার।

সূত্র: রয়টার্স