ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার এককভাবে নির্বাচন কমিশনের সব ক্ষমতা প্রয়োগ করছেন কি না, তা খতিয়ে দেখতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। এ বিষয়ে দায়ের করা একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানি নিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে লিখিত জবাব চেয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।
একটি পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, গত ১০ মাসে ভোটার তালিকা প্রস্তুত ও প্রযুক্তিগত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে অন্য দুই নির্বাচন কমিশনারের অন্তত ১৪টি বিষয়ে মতবিরোধ বা আপত্তি ছিল। এ প্রতিবেদনের পর বিষয়টি নিয়ে আইনি প্রশ্ন তুলে পাটনার এক বাসিন্দা সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা করেন।
তবে আদালত স্পষ্ট করে বলেছেন, শুধু সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ মুহূর্তে কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত বা নির্দেশ দেওয়া সম্ভব নয়।
আদালতের পর্যবেক্ষণ, নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তগুলো নিয়ম অনুযায়ী হয় সব সদস্যের সম্মতিতে, অথবা সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে। কোনো সিদ্ধান্ত যদি নিয়ম লঙ্ঘন করে এককভাবে নেওয়া হয়েছে বলে প্রমাণিত হয়, তাহলে সেটি স্থগিত করার বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।
অভিযোগ অস্বীকার নির্বাচন কমিশনের
এদিকে নির্বাচন কমিশন অভিযোগ অস্বীকার করেছে। কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, কাজের স্বাভাবিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা, মতামত ও ভিন্নমত থাকা অস্বাভাবিক নয়। এসব মতপার্থক্যকে বড় ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক বিরোধ হিসেবে দেখার সুযোগ নেই।
এখন নির্বাচন কমিশনের আনুষ্ঠানিক জবাব পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেবে সুপ্রিম কোর্ট।
সূত্র: এনডিটিভি



