tanaka

নিরাপত্তা পরিষদের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন, দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জি-৪-এর

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান কাঠামো নিয়ে প্রশ্ন তুলে দ্রুত সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছে জি-৪ জোট। ভারত, ব্রাজিল, জার্মানি ও জাপান নিয়ে গঠিত এই জোটের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা...
প্রচ্ছদঅন্যান্যযুক্তরাজ্য রোহিঙ্গাদের জন্য ২৭ মিলিয়ন পাউন্ডের নতুন সহায়তা দেবে

যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গাদের জন্য ২৭ মিলিয়ন পাউন্ডের নতুন সহায়তা দেবে

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের জন্য যুক্তরাজ্য নতুন করে ২৭ মিলিয়ন পাউন্ডের মানবিক সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে। এই সহায়তার মাধ্যমে পাঁচ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে সরাসরি সাহায্য দেওয়া হবে।

ঢাকায় ব্রিটিশ হাইকমিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, মিয়ানমারের রোহিঙ্গা ও অন্যান্য সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসংঘের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে এই অর্থায়নের ঘোষণা দেওয়া হয়।

প্যাকেজের আওতায় কক্সবাজার ও আশপাশের এলাকায় খাদ্য, বাসস্থান, বিশুদ্ধ পানি, স্যানিটেশন, স্বাস্থ্যসেবা এবং অন্যান্য জরুরি সেবা প্রদান করা হবে। এছাড়া ১ লাখ ৭৫ হাজার নারী ও কিশোরীদের যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা হবে এবং যেসব ব্যক্তি যৌন, শারীরিক বা মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত, তাদেরও সহায়তা দেওয়া হবে।

ব্রিটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার বলেন, “এ অর্থায়ন সরাসরি মাঠ পর্যায়ে জীবনমান উন্নয়নে সাহায্য করবে। আমরা নিশ্চিত করব, সহিংসতার কারণে বাস্তুচ্যুতরা তাদের প্রাপ্য সমর্থন, সুরক্ষা, মর্যাদা ও সুযোগ পায়।”

২০১৭ সাল থেকে যুক্তরাজ্য রোহিঙ্গা সংকটে ৪৪৭ মিলিয়ন পাউন্ডের বেশি সহায়তা দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক ত্রাণ প্রচেষ্টায় দীর্ঘমেয়াদি গুরুত্বপূর্ণ অবদান। সর্বশেষ এই প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশের পাশাপাশি বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর জন্য স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও টেকসই ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার লন্ডনের অঙ্গীকারকে প্রতিফলিত করে।

সহায়তা আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা (আইওএম), বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি), ইউএনএইচসিআর, ইউনিসেফ, ইউএনএফপিএ এবং কয়েকটি আন্তর্জাতিক এনজিওর মাধ্যমে বাস্তবায়ন করা হবে। এর প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো ক্যাম্প ব্যবস্থাপনা, খাদ্য সহায়তা, স্যানিটেশন, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীল কৃষি এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহায়তা।

যুক্তরাজ্যের কর্মকর্তারা বলেছেন, মিয়ানমারে বাস্তুচ্যুতির মূল কারণ দূর করা এবং রাখাইন রাজ্যের মানুষের জন্য অবাধ মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করতে টেকসই আন্তর্জাতিক সমন্বয় অপরিহার্য। তারা বাংলাদেশের সঙ্গে ঐতিহাসিক অংশীদারিত্ব এবং উন্নয়ন, বাণিজ্য, জলবায়ু সহযোগিতা ও কমনওয়েলথের মাধ্যমে গভীর সম্পর্কের গুরুত্বও পুনর্ব্যক্ত করেছে।