tanaka

রাজার অবৈধ সন্তান থেকে সফল শাসক, অবিবাহিত রানির বিতর্কিত জীবন

একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে অতীতের রাজা-রানিদের জীবন ও শাসনব্যবস্থা কল্পনা করা অনেকের কাছেই কঠিন। ইতিহাসের দীর্ঘ পথপরিক্রমায় বিভিন্ন সময়ে নানা শাসক ক্ষমতায় এসেছেন। কেউ প্রজাদের...
প্রচ্ছদলাইফষ্টাইলবিনোদনমদ্যপ দর্শকদের শোরগোলে প্রেক্ষাগৃহ ছাড়লেন নারী দর্শকেরা

মদ্যপ দর্শকদের শোরগোলে প্রেক্ষাগৃহ ছাড়লেন নারী দর্শকেরা

‘মির্জাপুর’ সিরিজের জনপ্রিয়তা নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই। সিরিজটির প্রতিটি সিজনই দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। সেই ধারাবাহিকতায় ‘মির্জাপুর দ্য মুভি’ নিয়েও দর্শকদের আগ্রহ ছিল তুঙ্গে। ৪ সেপ্টেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পর সিনেমাটি দেখতে দর্শকদের ভিড়ও দেখা গেছে। তবে সিনেমাটি দেখতে গিয়ে অস্বস্তিকর অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন নয়ডার কনটেন্ট ক্রিয়েটর অনামিকা।

বান্ধবীর সঙ্গে সিনেমাটি দেখতে গিয়ে প্রেক্ষাগৃহের ভেতরে কয়েকজন দর্শকের অশালীন আচরণের কারণে মাঝপথেই হল থেকে বেরিয়ে আসতে বাধ্য হন তিনি। অনামিকার অভিযোগ, ওই দর্শকদের কয়েকজন মদ্যপ অবস্থায় প্রেক্ষাগৃহে এসেছিলেন। এতে পুরো পরিবেশই অস্বস্তিকর হয়ে ওঠে।

শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা এক ভিডিওতে নিজের অভিজ্ঞতার কথা জানান অনামিকা। তিনি বলেন, শুরুতে সিনেমাটি বেশ উপভোগ করছিলেন তারা। কিন্তু সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে কয়েকজন দর্শকের আচরণ বিরক্তিকর হয়ে ওঠায় শেষ পর্যন্ত হল ছেড়ে বেরিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নেন।

অনামিকা বলেন, ‘ছবিটা খারাপ বলে নয়, দর্শকদের আচরণ খুব খারাপ ছিল। তাই আমরা সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে এসেছি। মানুষজন মদ খেয়ে এসেছে। এখন সবাই বাইরে বেরিয়ে এসে বিরক্ত হয়ে বলছে, ওই লোকগুলোকে বের করে দাও, তারপর আমরা আবার ভেতরে যাব। আমরা জানতাম দর্শক খুব একটা ভালো হবে না, কিন্তু এতটা খারাপ হবে, সেটা ভাবিনি। অথচ আমরা সিনেমাটা দেখে খুব মজা পাচ্ছিলাম।’

পরে শনিবার সন্ধ্যায় প্রকাশ করা আরেকটি ভিডিওতে হল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেন অনামিকা। তার দাবি, পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পরিবর্তে হল কর্তৃপক্ষ তাদের অন্য একটি অডিটোরিয়ামে গিয়ে বসার প্রস্তাব দেয়।

তবে সমস্যা সৃষ্টি করা দর্শকদের প্রেক্ষাগৃহ থেকে বের করে দেওয়ার বিষয়ে হল কর্তৃপক্ষ অপারগতা প্রকাশ করেছে বলেও জানান তিনি। শেষ পর্যন্ত সিনেমা না দেখেই বাড়ি ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন অনামিকা।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখন বাড়ি চলে যাব। অনেক রাত হয়ে যাচ্ছে। ওরা বলছেন, অন্য একটি অডিটোরিয়ামে আমাদের বসিয়ে দেবেন। কারণ যারা সমস্যা করছেন, তাদের নাকি বের করা সম্ভব নয়। এটা কেমন কথা? ওরা আমাদের ১০০ নম্বরে ফোন করতে বলছেন। আমরা কেন ফোন করব? হল কর্তৃপক্ষেরই তো সেটা করার কথা। পুরো মুডটাই খারাপ হয়ে গেল।’