২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশ থেকে ভারতে আশ্রয় নেওয়ার পর সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিল্লিতে নির্বাসিত জীবন যাপন করছেন। তার পুত্র ও উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দাবি, ভারত তাকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছে এবং ‘রাষ্ট্রপ্রধানের মতো’ সুবিধাও প্রদান করছে। গত মাসে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে হাসিনাও রয়টার্সকে বলেন যে, তিনি দিল্লিতে স্বাধীনভাবে অবস্থান করছেন।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায় ঘোষণার আগের দিন জয় সতর্ক করে বলেন, আওয়ামী লীগের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করা হলে দলের সমর্থকরা ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচন প্রতিহত করবে, যা সহিংসতায় রূপ নিতে পারে। ভারতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের হস্তক্ষেপ না হলে নির্বাচনের আগে বাংলাদেশে সহিংসতা ও সংঘাতের আশঙ্কা রয়েছে। জয়ের ভাষায়, “ওরা আমার মায়ের সঙ্গে কী করতে পারে? আমার মা ভারতে নিরাপদে আছেন। ভারত তাকে পূর্ণ নিরাপত্তা দিচ্ছে।”
ট্রাইব্যুনালের বিচার সম্পর্কে শেখ হাসিনা একে ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রহসন’ বলে মন্তব্য করে জানান, রায় ‘পূর্বনির্ধারিত সিদ্ধান্ত’ অনুযায়ী দেওয়া হবে। তবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মুখপাত্র এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আদালত স্বচ্ছভাবে বিচারকাজ পরিচালনা করেছে, পর্যবেক্ষকদের অনুমতি দিয়েছে এবং নিয়মিত নথিপত্র প্রকাশ করেছে।
এদিকে জয় জানান, আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণে গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার ক্ষমতায় আসার আগে তারা ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবেন না।



