বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ৩৫ ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১১টি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৬টি আসনের গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। গেজেট অনুযায়ী সংরক্ষিত নারী আসনের হিসাবে বিএনপি পাচ্ছে ৩৫টি এবং বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী পাচ্ছে ১১টি আসন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পাচ্ছে ১টি সংরক্ষিত নারী আসন।
এবারের নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি সাধারণ আসন পেয়েছে। জামায়াতে ইসলামী পেয়েছে ৬৮টি এবং এনসিপি পেয়েছে ৬টি আসন। বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস পেয়েছে ২টি, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ পেয়েছে ১টি আসন। গণঅধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), গণসংহতি আন্দোলন এবং খেলাফত মজলিস প্রত্যেকে ১টি করে আসন পেয়েছে। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন ৭টি আসন।
নিয়ম অনুযায়ী সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে হলে অন্তত ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকতে হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও কোনো জোটে যুক্ত হলে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারেন। তবে তারা জোটে যোগ দিলে আসন বণ্টনের হিসাব পরিবর্তিত হতে পারে।
এই হিসাব অনুযায়ী, বিএনপি ২০৯টি আসনের ভিত্তিতে ৩৪ দশমিক ৬৬, অর্থাৎ ৩৫টি সংরক্ষিত নারী আসন পাবে। অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী ১১ দশমিক ৩৩ হিসাবে ১১টি আসন পাবে। স্বতন্ত্র প্রার্থীরা ১ দশমিক ১৬ শতাংশ হিসেবে ১টি আসন পেতে পারেন। এনসিপিও পাবে ১টি সংরক্ষিত নারী আসন।
ছোট দলগুলো নিজেদের মধ্যে জোট গঠন না করলে কোনো সংরক্ষিত নারী আসন পাবে না। তবে জোট করলে তারা ১টি আসন পেতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসন বেড়ে ৩৬টিতে দাঁড়াতে পারে।
আবার বড় দলগুলো জোটগতভাবে নির্বাচন করলে এই সংখ্যা পরিবর্তিত হতে পারে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি ২৯৯টি আসনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। শেরপুর-৩ আসনের একজন বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় সেখানে নতুন তফসিল অনুযায়ী ভোটগ্রহণ হবে। এছাড়া তারেক রহমান ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন পরবর্তীতে অনুষ্ঠিত হবে।
সাধারণ নির্বাচনে নিবন্ধিত ৬০টি দলের মধ্যে ৫০টি দল অংশ নেয়। জাতীয় পার্টিসহ ৪১টি দল কোনো আসন পায়নি। নিবন্ধন স্থগিত থাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি। এছাড়া ৯টি দল নির্বাচনে অংশগ্রহণ করেনি।



