tanaka

রিয়াদে হামলার সতর্কতা জারির পরপরই বিস্ফোরণের শব্দ

সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে বিমান হামলার সতর্কতা জারির পরপরই ভোরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পাওয়া যায়নি।...
প্রচ্ছদজাতীয়বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও শরিকদের কয়েকজন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার আলোচনায়

বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা ও শরিকদের কয়েকজন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হওয়ার আলোচনায়

আগামী ১৬ আগস্ট বিএনপি সরকারের ছয় মাস পূর্ণ হতে যাচ্ছে। এর আগে মন্ত্রিসভা পুনর্গঠন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের ছয় মাসের কর্মদক্ষতা, ভাবমূর্তি ও দায়িত্ব পালনের সক্ষমতা মূল্যায়ন করবেন বলে জানা গেছে।

সরকারের অভ্যন্তরীণ সূত্রের বরাতে জানা যায়, মূল্যায়নে যারা প্রত্যাশিত ফল দেখাতে ব্যর্থ হবেন, তাদের দায়িত্ব পরিবর্তন বা মন্ত্রিসভা থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে। পাশাপাশি বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্য থেকে কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করার সম্ভাবনাও রয়েছে।

আলোচনায় থাকা বিএনপির নেতাদের মধ্যে রয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান ও সেলিমা রহমান। এছাড়া বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, জাতীয় সংসদের হুইপ এ বি এম আশরাফ উদ্দিন নিজান ও রকিবুল ইসলাম বকুলসহ কয়েকজন নেতার নামও আলোচনায় রয়েছে।

সমমনা রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্য থেকেও কয়েকজনকে মন্ত্রিসভায় যুক্ত করার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছে। এ তালিকায় নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ এবং বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের নাম রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সূত্র জানিয়েছে, বর্তমানে অন্তত ১২ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী একাধিক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। অতিরিক্ত দায়িত্বের কারণে প্রশাসনিক কার্যক্রমে চাপ তৈরি হওয়ায় দায়িত্ব পুনর্বণ্টনের বিষয়টিও বিবেচনা করা হচ্ছে।

সরকারি সূত্রগুলো বলছে, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের মূল্যায়নে কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে অগ্রগতি, প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের সক্ষমতা, সাধারণ মানুষের ভোগান্তি কমাতে নেওয়া পদক্ষেপ, মাঠ প্রশাসনের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং জাতীয় সংসদে কার্যকর ভূমিকা পালন।

এ ছাড়া কয়েকজন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর আচরণ এবং দায়িত্ব পালনের ধরন নিয়ে সরকারের ভেতরে আলোচনা রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করা হয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে ছয় মাসের মূল্যায়ন শেষ হওয়ার আগে বড় ধরনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে।

সরকারের শৃঙ্খলা ও কার্যকারিতা বাড়াতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মন্ত্রী ও কর্মকর্তাদের দায়িত্বশীলতা, সময়ানুবর্তিতা এবং ক্ষমতার সঠিক ব্যবহারের বিষয়ে একাধিক নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানা যায়।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানিয়েছিলেন, প্রয়োজন হলে প্রধানমন্ত্রী দপ্তর পুনর্বণ্টন বা নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে এই পরিবর্তন ১৮০ দিন পর হবে নাকি আরও কিছু সময় পরে, তা নির্ভর করবে পরিস্থিতি ও মূল্যায়নের ওপর।