রোববার রাতে বাহরাইনে ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় প্রাণ হারালেন সন্দ্বীপের প্রবাসী মোহাম্মদ তারেক (৪৮)। শনিবার ভোরে মানামার একটি ড্রাইডক শিপইয়ার্ডে ডিউটিরত অবস্থায় হামলার শিকার হয়ে গুরুতর আহত হন তিনি এবং পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন।
নিহতের একমাত্র মেয়ে তামান্না কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “রোববার বিকালেও আমার সঙ্গে ভিডিও কলে কথা হয়েছে। আজ বিকালে আমার বাবা নেই—এটা বিশ্বাস করতেও কষ্ট হচ্ছে। বাবা দেশের ফিরতে জানুয়ারিতে আসার কথা ছিল। তিনি ১৮ মাস বা দুই বছর পরপর দেশে আসতেন; সর্বশেষ ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে এসেছিলেন। এবার ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে থাকার কথা ছিল।”
পরিবারের কাছে প্রায় ২৭ বছর ধরে বাহরাইনে কর্মরত ছিলেন তারেক। তিনি ছিলেন পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের মামাতো ভাই ও চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ডিএমডি মোশারফ হোসেন। তিনি জানান, “গতকাল সন্ধ্যায়ও তারেক পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলেছিল। ২৫ রোজায় তার দেশে ফেরার কথা ছিল। পরিবার এখন সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছে।”
বাহরাইনে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. রইস হাসান সরোয়ার জানিয়েছেন, হামলায় এক প্রবাসী বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন এবং আরও দুইজন আহত হয়েছেন। নিহতের বাড়ি চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ উপজেলার আজিমপুর ইউনিয়নে।



