ইউটিউব চ্যানেল ‘হুপ’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো জানিয়েছেন, ফিটনেস ধরে রাখতে ঠিক কী কী অভ্যাস মেনে চলেন তিনি। শুধু শরীরচর্চা নয়, খাওয়া ও ঘুমকেও সমান গুরুত্ব দেন এই পর্তুগিজ তারকা।
রোনালদো বলেন, “আমি কখনও এক জায়গায় বসে থাকতে পারি না। সারাক্ষণই চলাফেরা করি — কখনও জর্জিয়ার সঙ্গে, কখনও সন্তানদের নিয়ে হাঁটি। দিনে অন্তত ১৭ হাজার পা হাঁটি। ফুটবল খেললে সেটা আরও বেড়ে যায়।”
তার মতে, সুস্থ থাকার মূল চাবিকাঠি হলো সঠিক ডায়েট ও পর্যাপ্ত ঘুম। রোনালদো বলেন, “আমার শরীর যা চায়, আমি তাই খাই। দিনে অন্তত সাড়ে ৯ ঘণ্টা ঘুমাই। ঘুম না হলে শরীর রিফ্রেশ হয় না।”
পুষ্টিবিদের নির্ধারিত রুটিন অনুসরণ করে চলেন তিনি। বাইরের খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলেন। চেষ্টা করেন রাত ১১টার মধ্যে ঘুমাতে যেতে এবং সাধারণত সকাল সাড়ে ৮টা পর্যন্ত ঘুমান। তবে কোনও জরুরি কাজ থাকলে সেই রুটিনে সামান্য পরিবর্তন হয়।
ফিটনেসের এই যত্নই হয়তো রোনালদোর ক্যারিয়ারে দীর্ঘদিনের সাফল্যের রহস্য। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের শেষ ম্যাচে আর্মেনিয়ার বিরুদ্ধে জোড়া গোল করেছেন তিনি। এই টুর্নামেন্টে গোলের দিক থেকে পেছনে ফেলেছেন লিওনেল মেসিকেও। চলতি বছর জিতেছেন উয়েফা নেশনস কাপ।
দেশের হয়ে এখনও ট্রফি জয়ের তীব্র আকাঙ্ক্ষা রয়েছে রোনালদোর। সেটাই তাকে আরও অনুপ্রাণিত করছে। এখন পর্যন্ত তার মোট গোলসংখ্যা ৯৪২টি। ১,০০০ গোলের মাইলফলক ছুঁতে দরকার মাত্র ৫৮টি গোল।
পর্তুগালের হয়ে করেছেন ১৩৯টি গোল, যা একটি রেকর্ড। ৩০ বছর বয়স হওয়ার আগে তার গোলসংখ্যা ছিল ৪৬৩টি। এরপরের ১০ বছরে করেছেন আরও ৪৭৯টি গোল। এই পরিসংখ্যানই বলে দেয়, বয়স যতই বাড়ুক, ফিটনেসের দিক দিয়ে রোনালদো এখনো অদ্বিতীয়।



