বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচে শনিবার সকালে প্যারাগুয়ের মুখোমুখি হবে তুরস্ক। তবে শিক্ষার্থীদের স্বার্থে ম্যাচটি বড় পর্দায় সম্প্রচার না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির সরকার।
তুরস্কের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দেশের সব প্রদেশের গভর্নরদের নির্দেশ দিয়েছে, বিশ্বকাপ উপলক্ষে কোথাও যেন বড় পাবলিক স্ক্রিন স্থাপনের অনুমতি না দেওয়া হয়। সরকারের ভাষ্য, এতে শব্দদূষণ ও যানজট কমবে, যা সপ্তাহান্তে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য সহায়ক হবে।
দেশটিতে উচ্চশিক্ষায় ভর্তির জন্য অনুষ্ঠিত ওয়াইকেএস (YKS) পরীক্ষায় প্রতি বছর লাখো শিক্ষার্থী অংশ নেয়। শনিবার ও রোববার অনুষ্ঠিত এই পরীক্ষাকে ঘিরেই বিশেষ এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
এর আগে তুরস্কের বিভিন্ন শহরে প্যারাগুয়ের বিপক্ষে ম্যাচটি বড় পর্দায় দেখানোর পরিকল্পনা করেছিল স্থানীয় প্রশাসন। তবে মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পর সেই সব আয়োজন বাতিল করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পরীক্ষার্থীরা যাতে শব্দদূষণ বা অতিরিক্ত যানজটের কারণে কোনো ধরনের ভোগান্তিতে না পড়ে, তা নিশ্চিত করতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
প্রায় ৮ কোটি ৬০ লাখ মানুষের দেশ তুরস্কে ফুটবল অত্যন্ত জনপ্রিয়। ২০০২ বিশ্বকাপে তৃতীয় হওয়ার পর এবারই প্রথম বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলছে দলটি। তবে নকআউট পর্বে ওঠার লড়াইয়ে আপাতত কিছুটা চাপে রয়েছে তারা। গ্রুপ ‘ডি’-তে নিজেদের প্রথম ম্যাচে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ২-০ গোলে হেরেছে তুরস্ক। একই গ্রুপে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রও।
গত ১৫ জুন অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তুরস্কের ম্যাচটি ইস্তাম্বুলসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বড় পর্দায় প্রদর্শন করা হয়েছিল। সেদিন পার্ক ও উন্মুক্ত স্থানে দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। দক্ষিণাঞ্চলীয় আনতালিয়া প্রদেশের একটি ঐতিহাসিক অ্যাম্ফিথিয়েটারেও বিপুলসংখ্যক সমর্থক একত্র হয়ে ম্যাচ উপভোগ করেছিলেন।



