tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদলাইফষ্টাইলবিনোদনদেবের নায়িকা হওয়ার সুযোগ হারিয়ে ফারিণ, এবার টালিগঞ্জে নতুন সম্ভাবনা

দেবের নায়িকা হওয়ার সুযোগ হারিয়ে ফারিণ, এবার টালিগঞ্জে নতুন সম্ভাবনা

দেবের নায়িকা হওয়ার কথা ছিল তাসনিয়া ফারিণের। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ভিসা জটিলতার কারণে হাতছাড়া হয়ে যায় সেই সুযোগ। কলকাতার দর্শক এখনো ভোলেনি সেই সময়ের আলোচনার রেশ। অবশেষে কাঁটাতারের ওপারে যাওয়ার সুযোগ পান ফারিণ, দেবের সঙ্গেও দেখা হয় তাঁর। তবে বাস্তবতার সীমারেখা মেনেই ফিরতে হয় তাঁকে।

বর্তমানে কলকাতা সফরে রয়েছেন ফারিণ। ব্যস্ত টালিগঞ্জের অন্দরে ঘুরছেন, আলাপ করছেন সহশিল্পীদের সঙ্গে। ঠিক তখনই ব্রাত্য বসুর পরিচালনায় ‘শিকড়’ ছবির শুটিংয়ে রয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী। দেখা হয়ে যায় তাঁদেরও। অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের বিশেষ আমন্ত্রণে বাংলাদেশের দুই তারকা একসঙ্গে উপভোগ করেন তাঁর নতুন ছবি ‘স্বার্থপর’।

রোববার (২৬ অক্টোবর) ভারতীয় গণমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা-র সঙ্গে এক দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে কথা বলেন তাসনিয়া ফারিণ। আলোচনায় উঠে আসে তাঁর টালিগঞ্জ সফর, বড় পর্দায় অভিষেকের সম্ভাবনা, দেশের বিনোদন অঙ্গনের বর্তমান অবস্থা, এমনকি রাজনীতি নিয়েও প্রশ্ন করা হয় তাঁকে। তবে সোজাসাপ্টা জবাবে ফারিণ বলেন, “আমি রাজনীতিমনস্ক নই। একজন শিল্পী হিসেবে এসব বিষয়ে কথা না বলাই শ্রেয় মনে করি।”

কলকাতাকে দারুণ ভালোবাসেন তাসনিয়া ফারিণ। বিশেষ করে বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের সময় শহরটি তাঁকে মুগ্ধ করেছে আরও বেশি। স্থানীয় পছন্দের খাবারগুলোও চেখে দেখছেন তিনি।

এদিকে গুঞ্জন উঠেছে, অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরীর পরবর্তী ছবিতে একসঙ্গে দেখা যেতে পারে চঞ্চল চৌধুরী ও তাসনিয়া ফারিণকে। তবে এ বিষয়ে এখনই নিশ্চিত করে কিছু বলতে চাননি অভিনেত্রী। তাঁর ভাষায়, “পরবর্তী ছবির কথা নিশ্চিত নই, তবে টোনিদার (অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী) সঙ্গে অনেকদিন ধরেই কথা চলছে। তাঁর সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি। চঞ্চলদা সেই প্রজেক্টে থাকবেন কি না, তা এখনও জানি না।”

দেবের সঙ্গে সিনেমার সুযোগ হারানোর প্রসঙ্গ উঠতেই হাসতে হাসতে ফারিণ বলেন, “আর বলবেন না! ওনারা অনেক দিন আমার জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। আমিও আসার যথেষ্ট চেষ্টা করেছি। তখন বেশ টানাপড়েন গেছে। শেষ পর্যন্ত ব্যাটে-বলে মেলেনি। এই তো, দিন দুই আগে ‘স্বার্থপর’-এর প্রিমিয়ারে দেবদার সঙ্গে দেখা। বললেন, ‘যাক, অবশেষে এলে! দেখা হল আমাদের।’ এর আগে সব যোগাযোগ ফোনেই হয়েছিল, মুখোমুখি এই প্রথম।”

দুই বাংলার চলচ্চিত্র অঙ্গনের পার্থক্য নিয়েও মত দেন অভিনেত্রী। তাঁর কথায়, “কাজের ধরনে পার্থক্য আছে ঠিকই, তবে এখানকার কাজ অনেক বেশি সুসংগঠিত ও পেশাদার। আমাদের দেশেও এখন বড় বাজেটের প্রজেক্ট হচ্ছে, প্রযোজনায় এসেছে পেশাদারিত্ব। এক ভাষা, এক সংস্কৃতি— আমরা দেখতে শুনতেও এক— তাহলে পার্থক্য কোথায়!”