tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদরাজধানীডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, মঈনসহ ৭ আসামি কারাগারে

ডা. কামরুলের হাসপাতালে চাঁদাবাজি, মঈনসহ ৭ আসামি কারাগারে

রাজধানীর শ্যামলীতে কিডনি বিশেষজ্ঞ ডা. কামরুল ইসলামের ‘সেন্টার ফর কিডনি ডিজিজেস অ্যান্ড ইউরোলজি’ (সিকেডি) হাসপাতালে চাঁদাবাজির ঘটনায় প্রধান আসামি মঈন উদ্দিনসহ সাতজনকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— স্বপন কাজী, মো. শাওন হোসেন, ফারুক হোসেন সুমন, মো. লিটন মিয়া, মো. ফালান মিয়া ও মো. রুবেল।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) মঈন, স্বপন ও শাওন তিন দিনের এবং বাকি আসামিদের চার দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে পুলিশ। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শেরেবাংলা নগর থানার এসআই মো. ছাব্বির আহমেদ তাদের কারাগারে পাঠানোর আবেদন করেন।

শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম সকল আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে গত ১১ এপ্রিল সিকেডি হাসপাতালের অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ মো. আবু হানিফ বাদী হয়ে শেরেবাংলা নগর থানায় চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন। মামলায় মঈন উদ্দিনকে প্রধান আসামি করে আরও ৭-৮ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়। পরবর্তীতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মঈনসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করে।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দীর্ঘদিন ধরে মঈন ও তার সহযোগীরা সিকেডি হাসপাতালের কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে অপারেশন থিয়েটার ইনচার্জ হানিফকে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হয়।

গত ১০ এপ্রিল সকালে শ্যামলী ৩ নম্বর সড়কে হানিফের বাসার সামনে গিয়ে দরজা খুলতে বলে আসামিরা। দরজা খুললে মঈন হানিফের স্ত্রীকে তাৎক্ষণিকভাবে ৫ লাখ টাকা দেওয়ার জন্য চাপ দেন এবং টাকা না দিলে ক্ষতির হুমকি দেন।

হানিফের স্ত্রী টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে আসামিরা উচ্ছৃঙ্খল আচরণ শুরু করে। এ সময় হানিফ তার ছোট ভাই মনির তালুকদারকে বাসায় আসতে বলেন। পরে তিনি পৌঁছালে আসামিরা ঘটনাটিকে ভিন্নভাবে উপস্থাপন করে আরও লোকজন জড়ো করতে থাকে।

একপর্যায়ে ৫০-৬০ জন লোক সমবেত হয়ে সিকেডি হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেয় এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করে। তারা স্লোগান, গালাগালি ও হুমকিমূলক আচরণের মাধ্যমে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার চেষ্টা চালায়।

এ সময় হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনেও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়, যা চিকিৎসা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি করে। পরে খবর পেয়ে শেরেবাংলা নগর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।