tanaka

এশিয়ান গেমস • কাবাডিতে কোরিয়া বধের পর বাংলাদেশের চোখ পদকে

এশিয়ান গেমসে পুরুষ কাবাডিতে দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়েছে বাংলাদেশ। শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে হারিয়ে লাল-সবুজ দল এখন তাকিয়ে আছে দিনের দ্বিতীয় ম্যাচের দিকে। বিকেলে চাইনিজ তাইপেকে...
প্রচ্ছদসারাদেশচায়ের দোকানে এইচএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের অভিযোগ, ৪০০ উত্তরপত্র জব্দ

চায়ের দোকানে এইচএসসি পরীক্ষার খাতা মূল্যায়নের অভিযোগ, ৪০০ উত্তরপত্র জব্দ

সিলেটে চায়ের দোকানে বসে এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের অভিযোগে এক পরীক্ষকের কাছ থেকে প্রায় ৪০০টি উত্তরপত্র জব্দ করেছে সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

শনিবার (রাত সাড়ে ১১টার দিকে) শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। জব্দ হওয়া উত্তরপত্রগুলো মেট্রোসিটি উইমেন্স কলেজের প্রভাষক ইকবাল হোসেন (সোহান)-এর কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়। তিনি সিলেট শিক্ষা বোর্ডের একজন পরীক্ষক।

শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক বিলকিস ইয়াসমিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে গিয়ে উত্তরপত্র মূল্যায়নের সময় পরীক্ষককে আটক করেন এবং তাঁর কাছ থেকে ৪০০টি উত্তরপত্র জব্দ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ওই সময় পরীক্ষকের সঙ্গে আরও কয়েকজন পরিচিত ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে কেউ উত্তরপত্র মূল্যায়নে অংশ নিয়েছিলেন কি না, সে বিষয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

চায়ের দোকানদার ফজলুল হক জানান, অভিযুক্ত পরীক্ষক ও তাঁর কয়েকজন পরিচিত নিয়মিত দোকানে আড্ডা দিতে আসতেন। ঘটনার দিনও তাঁরা দোকানের ভেতরে বসেছিলেন। পরে শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এসে তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং উত্তরপত্র নিয়ে চলে যান।

অভিযোগের বিষয়ে পরীক্ষক ইকবাল হোসেনের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

এদিকে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকা ইকবাল হোসেনের বন্ধু আইরিন লিনজা সাংবাদিকদের বলেন, তিনি উত্তরপত্র মূল্যায়নের সঙ্গে জড়িত নন; বন্ধুর সঙ্গে সেখানে উপস্থিত ছিলেন মাত্র।

জালালাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল হাবিব জানান, শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা অভিযুক্ত পরীক্ষককে থানায় নিয়ে এসেছিলেন। এ ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর তাঁকে পুনরায় শিক্ষা বোর্ডের হেফাজতে নেওয়া হয়।

ঘটনাটি নিয়ে শিক্ষা বোর্ড বিভাগীয় তদন্ত ও পরবর্তী প্রশাসনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।