নাটোরের লালপুরে গোপন গর্ভধারণের পর গর্ভপাতের ওষুধ সেবনের ঘটনায় নবম শ্রেণির এক কিশোরী মৃত সন্তান প্রসব করেছে। এ ঘটনায় কিশোরীর চিকিৎসা, নিরাপত্তা ও সম্ভাব্য আইনগত বিষয় নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই কিশোরী একটি মৃত নবজাতক প্রসব করে। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, কিশোরীটি প্রায় ছয় মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিল।
হাসপাতাল সূত্র জানায়, মঙ্গলবার রাতে ‘এমএম কিট’ সেবনের পর কিশোরী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে তাকে দ্রুত লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে তাকে ভর্তি করা হয়।
হাসপাতালে ভর্তির পর কিশোরীর পরিচয় ও বৈবাহিক অবস্থা নিয়ে অসঙ্গতি দেখা দেয়। সঙ্গে থাকা স্বজনরা প্রথমে তাকে বিবাহিত বলে জানালেও পরে দেওয়া তথ্যে সন্দেহ দেখা দিলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি লালপুর থানাকে জানায়।
পরে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে কিশোরীটি স্বাভাবিক প্রসবের মাধ্যমে মৃত নবজাতকের জন্ম দেয়। বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়।
জানা গেছে, কিশোরীর বাড়ি লালপুর উপজেলার আড়বাব ইউনিয়নে। তবে ঘটনার বিষয়ে জানতে তার মায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, মৃত নবজাতকের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



