ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ, চাঁদাবাজি, অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারের অভিযোগে জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা অধিদপ্তরের (এনএসআই) দুই কর্মকর্তার বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।
নিষেধাজ্ঞাপ্রাপ্তরা হলেন এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক এম এস কে শাহীন এবং যুগ্ম পরিচালক বদরুল আহমেদ।
সোমবার (৩১ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবির পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক বিলকিস আক্তারের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, অভিযুক্ত দুই কর্মকর্তা বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। অনুসন্ধান বা তদন্ত চলাকালে তারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলে তাদের মাধ্যমে অর্জিত বা পাচার করা অর্থ উদ্ধারের প্রক্রিয়া জটিল হয়ে পড়তে পারে। তাই অভিযোগের সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ অনুসন্ধানের স্বার্থে তাদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া প্রয়োজন।
দুদক সূত্র জানায়, এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক এম এস কে শাহীনের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ, চাঁদাবাজি এবং পদের প্রভাব ব্যবহার করে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ অনুসন্ধানাধীন রয়েছে।
অন্যদিকে যুগ্ম পরিচালক বদরুল আহমেদের বিরুদ্ধে অর্থ পাচারের একটি অভিযোগের তদন্ত চলছে।
আদালতের আদেশে বলা হয়েছে, বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞার ক্ষেত্রে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের ২০২১ সালের একটি রায়ের নির্দেশনা অনুসরণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দুদকের যথাযথ কর্তৃপক্ষের পূর্বানুমতি নিয়ে আদালতে আবেদন করা হয়েছে বলেও আদেশে উল্লেখ করা হয়।
আবেদন ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র পর্যালোচনা শেষে আদালত তা মঞ্জুর করেন এবং দুই কর্মকর্তার দেশত্যাগ ঠেকাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন।



