tanaka

পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ বাবদ রেকর্ড ২০৪ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। চলতি...
প্রচ্ছদজাতীয়আগামী পাঁচ বছরে সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের

আগামী পাঁচ বছরে সরকারি চাকরিতে ৫ লাখ নিয়োগের পরিকল্পনা সরকারের

দেশের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আগামী পাঁচ বছরে পাঁচ লাখ শূন্য পদে জনবল নিয়োগের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সময়ভিত্তিক একটি সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) সরকারের তিন মাস পূর্তি উপলক্ষে সচিবালয়ে আয়োজিত বিশেষ সংবাদ ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। ব্রিফিংয়ে তিনি সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের গত তিন মাসের কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন।

মন্ত্রী বলেন, নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের শূন্য পদের সর্বশেষ তথ্য এবং নিয়োগ পরিকল্পনা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দ্রুত সময়ের মধ্যেই নিয়োগ কার্যক্রম শুরু হবে বলেও জানান তিনি।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রভাব মোকাবিলায় সরকারের নেওয়া পদক্ষেপ নিয়েও কথা বলেন তথ্যমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে দেশে জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হয়েছে এবং ভোক্তা পর্যায়ে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।

তিনি জানান, জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা আনতে ইতোমধ্যে দেশে ‘ফুয়েল কার্ড’ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। বর্তমানে সারাদেশে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ২১১টি যানবাহন এই ফুয়েল পাস সিস্টেমে নিবন্ধিত হয়েছে। পাশাপাশি ২২৩টি ফিলিং স্টেশনকে এ ব্যবস্থার আওতায় আনা হয়েছে।

দেশের একমাত্র সরকারি তেল শোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড–এর সক্ষমতা বাড়াতে দ্বিতীয় ইউনিট স্থাপনের কাজও দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী জুন মাসে এ প্রকল্পের আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হবে এবং ২০২৯ সালের মধ্যে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালুর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক বাস আমদানিকে উৎসাহ দিতে সরকার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও জানান তথ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শুল্কমুক্ত সুবিধায় ইলেকট্রিক বাস আমদানির সুযোগ দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

তিনি বলেন, একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একটি বাস চালু হলে অন্তত ৫০ জন শিক্ষার্থীর অভিভাবকের আলাদা গাড়ি ব্যবহার কমে আসবে। এতে শহরের যানজট ও বায়ুদূষণ কমাতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।

গণপরিবহনের জন্য কী ধরনের বাস শুল্কমুক্ত সুবিধায় আনা যাবে, সে বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা তৈরির কাজও শুরু হয়েছে বলে জানান তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী।