tanaka

পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ বাবদ রেকর্ড ২০৪ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। চলতি...
প্রচ্ছদজাতীয়ডিপিইতে যোগদানের আগেই বাতিল শিক্ষামন্ত্রীর সাবেক এপিএসের নিয়োগ

ডিপিইতে যোগদানের আগেই বাতিল শিক্ষামন্ত্রীর সাবেক এপিএসের নিয়োগ

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) পরিচালক (প্রশাসন) পদে যোগদানের আগেই শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সদ্য সাবেক সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোহাম্মদ ওমর ফারুক দেওয়ানের প্রেষণ নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। তৃতীয় গ্রেডের পদে চতুর্থ গ্রেডের এক কর্মকর্তাকে পদায়ন নিয়ে সমালোচনা শুরু হলে শেষ পর্যন্ত সেই আদেশ প্রত্যাহার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

মঙ্গলবার (১৯ মে) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর আগে নানা অভিযোগ ও বিতর্কের মুখে ওমর ফারুক দেওয়ানকে শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস পদ থেকেও অব্যাহতি দেওয়া হয়।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শিক্ষামন্ত্রীর এপিএস হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার মাত্র তিন মাসের মাথায় বদলি, নিয়োগ বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১৪ মে তাকে এপিএস পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। একই দিনে বিসিএস তথ্য ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচের এ কর্মকর্তাকে ডিপিইর পরিচালক (প্রশাসন) পদে পদায়নের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

তবে ওই পদায়নের পর প্রশাসনজুড়ে শুরু হয় তীব্র সমালোচনা। কারণ পরিচালক (প্রশাসন) পদটি তৃতীয় গ্রেড তথা যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার। অথচ ওমর ফারুক দেওয়ান বর্তমানে চতুর্থ গ্রেডের কর্মকর্তা। বিধি লঙ্ঘন করে তাকে উচ্চতর পদে পদায়নের অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তারা। পরে সরকারের উচ্চপর্যায়ের নির্দেশে তার প্রেষণ নিয়োগ বাতিল করা হয়।

জানা গেছে, ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ছিলেন ওমর ফারুক। এবার তিনি পূর্ণ মন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর ওমর ফারুককে নিজের এপিএস হিসেবে নিয়োগ দেন। পরে তার বিরুদ্ধে নিয়োগ ও বদলি বাণিজ্যসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ ওঠে।

সম্প্রতি একটি গোয়েন্দা সংস্থা তার কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্ত চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেয়। এরপর সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে নির্দেশনা আসার পর তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়।