ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগ বাসস্ট্যান্ডের সামনে টং দোকানের ওপর টানানো বিশাল বিলবোর্ডে বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের প্রচারণা চোখে পড়ে। একটু সামনে বাম পাশে দেখা যায় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নবীউল্লাহ নবীর বিলবোর্ড। একই এলাকায় জামায়াতে ইসলামী প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেনের প্রচারণাও সমানভাবে চলছে।
রাজধানীর অন্যতম প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত ঢাকা-৫ আসনের অলিগলিতে এখন আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ব্যানার, ফেস্টুন ও বিলবোর্ডে ছেয়ে গেছে। যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত এই আসনটি (জাতীয় সংসদের ১৭৮ নম্বর) ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪৮, ৪৯, ৫০, ৬২–৭০ নম্বর ওয়ার্ড অন্তর্ভুক্ত।
মনোনয়নপ্রত্যাশীরা এখন ব্যস্ত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও নাগরিক সমস্যা সমাধানে আয়োজিত কর্মসূচিতে অংশ নিতে। সরেজমিনে দেখা যায়, বিএনপির তিন প্রার্থী মাঠে সক্রিয়—সালাহউদ্দিন আহমেদ, নবীউল্লাহ নবী ও জাকির হোসেন নয়ন।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে প্রার্থী হয়েছেন মোহাম্মদ কামাল হোসেন এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে সাবেক কাউন্সিলর হাজি মো. ইবরাহীম। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এখনো কোনো প্রার্থীকে প্রচারণায় নামায়নি। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মো. রাশেদুল ইসলাম (রাশেদ)-এর প্রচারণা দেখা যাচ্ছে।
বিএনপির তিন প্রার্থীর মধ্যে প্রচারণায় এগিয়ে আছেন নবীউল্লাহ নবী। তিনি নিয়মিত উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ করছেন। গত ২০ অক্টোবর যাত্রাবাড়ী শহীদ ফারুক সড়কে গ্যাস সংকটের প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনেও অংশ নেন তিনি।
অন্যদিকে সালাহউদ্দিন আহমেদের সমর্থকরা বলছেন, তিনি একজন পরীক্ষিত ও গ্রহণযোগ্য নেতা। দল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে মনোনয়ন না দেওয়ায় প্রচারণা চালাতে কোনো বাধা নেই।
জাকির হোসেন নয়ন, একজন ব্যবসায়ী ও প্রবাসী নেতা, ইউনাইটেড পেট্রোল পাম্পের মালিক। বিএনপির অনেকেই মনে করেন, তিনি আগে দলের রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না।
দলীয় মনোনয়ন নিয়ে বিএনপির ভেতর মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে সালাহউদ্দিন আহমেদ ও নবীউল্লাহ নবীর মধ্যে বলে মনে করা হচ্ছে।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে নবীউল্লাহ নবী বলেন,



