tanaka

পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণ পরিশোধ ২০৪ কোটি ডলার

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর পাঁচ মাসে বিদেশি ঋণের আসল ও সুদ বাবদ রেকর্ড ২০৪ কোটি ৭৬ লাখ মার্কিন ডলার পরিশোধ করা হয়েছে। চলতি...
প্রচ্ছদটপ নিউজভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় সংবিধান অনুযায়ী ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। শুক্রবার (২৪ জুলাই) বিকেলে তিনি রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরিত পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেন। একই সঙ্গে স্পিকারের অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের দায়িত্ব পালন করবেন।

শুক্রবার বিকেলে সংসদ সচিবালয়ে আয়োজিত জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ

তিনি বলেন, “আজ বিকেল ৪টা ১ মিনিটে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের স্বাক্ষরযুক্ত পদত্যাগপত্র আমার হাতে পৌঁছেছে। স্পিকার হিসেবে আমি সেই পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছি। ফলে সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আমি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি।”

স্পিকার জানান, জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে শপথ নেওয়ার সময়ই প্রয়োজন হলে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালনের শপথও তিনি নিয়েছিলেন। একইভাবে ডেপুটি স্পিকার দায়িত্ব গ্রহণের সময় এমন শপথ নেন, যাতে স্পিকারের পদ শূন্য থাকলে বা তিনি দায়িত্ব পালন করতে না পারলে স্পিকারের দায়িত্ব পালন করতে পারেন।

রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার প্রসঙ্গে স্পিকার বলেন, “দুপুর থেকে নানা ধরনের আলোচনা শুনছি। কিন্তু প্রকৃত বিষয় হলো, তিনি শারীরিক অসুস্থতার কারণেই পদত্যাগ করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, মো. সাহাবুদ্দিন পূর্ববর্তী সরকারের আমলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হলেও বর্তমান জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের প্রতি সমর্থন ও শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছেন। তার সুস্বাস্থ্য ও মঙ্গল কামনা করেন বলেও জানান স্পিকার।

এদিকে স্পিকারের কাছে পাঠানো পদত্যাগপত্রে মো. সাহাবুদ্দিন লিখেছেন, তিনি দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও কিডনি জটিলতায় ভুগছেন। তার হৃদযন্ত্রে বাইপাস সার্জারি হয়েছে এবং সম্প্রতি স্বাস্থ্য পরীক্ষায় অটোনমিক নিউরোপ্যাথি শনাক্ত হয়েছে। এ রোগের কারণে তিনি মাঝে-মধ্যে ক্ষণিকের জন্য অচেতন হয়ে পড়েন। শারীরিক ও মানসিক অসামর্থ্যের কারণে রাষ্ট্রপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করা তার পক্ষে আর সম্ভব নয় এবং দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার প্রয়োজন রয়েছে বলেও তিনি পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন।

সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে। আর সংবিধানের ৪৮(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদ সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন।

বর্তমান সংসদে ক্ষমতাসীন বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীর পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।