tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদরাজনীতিগণসংহতির পদ ছাড়লেন জোনায়েদ সাকি

গণসংহতির পদ ছাড়লেন জোনায়েদ সাকি

গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারীর পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি। দলটির ভারপ্রাপ্ত প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু।

শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর হাতিরপুলে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ ঘোষণা দেন।

জোনায়েদ সাকি বলেন, সরকার ও রাজনৈতিক দলের দায়িত্বকে আলাদা রাখার লক্ষ্যেই তিনি দলীয় প্রধানের পদ ছেড়েছেন।

জুলাই জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এটি বাস্তবায়নের পদ্ধতি নিয়ে এখনো আলোচনা চলছে। তবে বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের মতামতই প্রাধান্য পাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এর আগে, শুক্রবার দলীয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় যে প্রধান সমন্বয়কারীর দায়িত্ব সংক্রান্ত বিষয়ে অবহিত করতে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে। এতে জোনায়েদ সাকির পাশাপাশি দলের নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য দেওয়ান আব্দুর রশিদ নিলু, মনির উদ্দীন পাপ্পু, ফিরোজ আহমেদ, তাসলিমা আখতার, হাসান মারুফ রুমীসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ৩ নভেম্বর ঢাকার সাভারে অনুষ্ঠিত দলের পঞ্চম জাতীয় সম্মেলনে জোনায়েদ সাকি পুনরায় প্রধান সমন্বয়কারী নির্বাচিত হন। সম্মেলনের সমাপনী অধিবেশনে ৫৫ সদস্যের নতুন নির্বাহী কমিটিও গঠন করা হয়।

২০০২ সালের ২৯ আগস্ট ‘জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তি গড়ে তোলার আহ্বান’ স্লোগান নিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের যাত্রা শুরু হয়। দীর্ঘ আইনি ও সাংগঠনিক প্রক্রিয়া শেষে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দলটি নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন লাভ করে।

চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের শরিক হিসেবে ‘মাথাল’ প্রতীক নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জোনায়েদ সাকি।

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে গঠিত নতুন সরকারে তাকে প্রথমে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে শুধু পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্বে রাখা হয়।