tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়সাহস থাকলে পলাতকরা দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

সাহস থাকলে পলাতকরা দেশে এসে আইনের মুখোমুখি হোক: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

পলাতক শেখ হাসিনাসহ বিদেশে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের উদ্দেশে কঠোর বার্তা দিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, বিদেশে বসে উস্কানিমূলক বক্তব্য ও হুমকির কোনো মূল্য নেই। সাহস থাকলে দেশে ফিরে আইনের আশ্রয় নিয়ে কথা বলতে হবে।

বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বাইতুল ইজ্জতে অবস্থিত বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের ‘বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে’ বিজিবির ১০৪তম রিক্রুটিং প্যারেডের সমাপনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, যারা দেশ ছেড়ে পালিয়ে আছে তারা নানা ধরনের বক্তব্য দিতে পারে। তবে আইনের আওতায় এসে কথা বললেই সেটার অর্থ ও গ্রহণযোগ্যতা থাকবে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ যাতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে। কেউ অরাজকতা করতে পারবে না। সবাই সহযোগিতা করলে নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে।

কক্সবাজার সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারের আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইনে এক শিশু আহত হওয়ার ঘটনা এবং সীমান্ত আইন লঙ্ঘনের বিষয়ে তিনি বলেন, মিয়ানমার একটি বৈধ রাষ্ট্র হলেও বর্তমানে রাখাইন সীমান্তের বড় একটি অংশ আরাকান আর্মির নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেখানে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অনুপস্থিতির কারণে পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠেছে।

তিনি জানান, মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশের কূটনৈতিক যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে এবং সীমান্তে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিবাদ জানানো হচ্ছে। তবে আরাকান আর্মিকে এখনো কোনো বৈধতা দেওয়া হয়নি। তারা বিভিন্নভাবে সীমান্তে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, যার অংশ হিসেবে সম্প্রতি এক শিশু গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, মিয়ানমার সেনাবাহিনী ও আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষের সময় কখনো কখনো গোলা বাংলাদেশের ভেতরে এসে পড়ে। এ ধরনের ঘটনায় সরকার প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা না ঘটে সে জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

সীমান্ত পুরোপুরি সিল করার পরিকল্পনা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সীমান্তে সবসময় নিরাপত্তা বাহিনী মোতায়েন রয়েছে। সীমান্ত ব্যবহার করে কেউ বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করলে কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।