আমিরাতের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিস্ফোরণের কারণ সম্পর্কে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি। ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনার কারণ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য সামনে এসেছে। ইরাকের কয়েকটি সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, ইয়েমেন থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতে এসব বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে আমিরাতের গণমাধ্যম শুধু একাধিক বিস্ফোরণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে; হামলার বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করেনি।
থার্মাল ইমেজ বিশ্লেষণে বন্দরের পাশের জ্বালানি সংরক্ষণ ও স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত একটি গুদামে আগুন লাগার আলামত দেখা গেছে বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে আগুনের কারণ সম্পর্কে কর্তৃপক্ষ এখনো কিছু জানায়নি।
আরব গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আগুনের ভিডিও ধারণ করার অভিযোগে দুজনকে আটক করেছে আমিরাতের কর্তৃপক্ষ। তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
একই সময়ে ইয়েমেনের রাজধানী সানাতেও বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। কিছু সূত্রের দাবি, সেখানে বিমান হামলা হয়েছে। আবার অন্য একটি সূত্রের ভাষ্য, ইয়েমেনের ভেতর থেকে ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণের কারণেই ওই বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এসব দাবির কোনোটি স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
এ ঘটনার পরপরই হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।



