ইরানে স্টারলিংক ডিভাইসের বিরুদ্ধে ব্যাপক অভিযান শুরু করেছে দেশটির আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এসব অভিযানে শত শত ডিভাইস জব্দ করা হচ্ছে এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।
বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের প্রচলিত আইনে স্টারলিংক ডিভাইস সংগ্রহ ও ব্যবহার শাস্তিযোগ্য অপরাধ। বিশেষ করে যুদ্ধকালীন সময়ে এমন কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে কঠোর শাস্তির সতর্কতা জারি করা হয়েছে। বর্তমানে এই ডিভাইস ব্যবহারের জন্য সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তারা শত্রুপক্ষের পাঠানো বহু স্টারলিংক ডিভাইস জব্দ করেছে। এখানে শত্রুপক্ষ বলতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইকে বোঝানো হয়েছে।
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইন্টারনেট বিভ্রাটের কারণে দেশের ভেতরে যোগাযোগ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। এ অবস্থায় প্রযুক্তি সম্পর্কে সচেতন অনেক বাসিন্দা স্পেসএক্স স্টারলিংক ব্যবহার করে বিকল্প সংযোগ স্থাপন করছেন এবং তা অন্যদের মধ্যেও ভাগ করে নিচ্ছেন।
তবে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর দাবি, এই স্যাটেলাইট ইন্টারনেট ব্যবস্থার মাধ্যমে শত্রুপক্ষ সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এজন্যই দেশের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও সশস্ত্র বাহিনীর অবস্থান গোপন রাখতে ইন্টারনেট ব্যবহারে কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হচ্ছে।



