tanaka
প্রচ্ছদটপ নিউজসরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে চেষ্টা করছে: রিজভী

সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি পূরণে চেষ্টা করছে: রিজভী

সরকার নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো পূরণে কাজ করছে এবং কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহ উদ্দিন আহমদ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উদ্দেশে রিজভী বলেন, শুধু অপরাধীদের গ্রেপ্তার করলেই হবে না, মাদক সিন্ডিকেট কোথায় গড়ে উঠেছে, তাদের আস্তানা কোথায় এবং কারা তাদের পৃষ্ঠপোষকতা করছে—এসবও চিহ্নিত করতে হবে। মাদক সিন্ডিকেটের মূল শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে।

সম্প্রতি রংপুরে একটি সরকারি স্কুলের শিক্ষক পরিবারের ওপর মাদকসেবীদের হামলায় চারজন নিহত হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, পুলিশ খুনিদের গ্রেপ্তার করতে পেরেছে, এটি স্বস্তির বিষয়। তবে তাদের আস্তানা ও পেছনে থাকা পৃষ্ঠপোষকদেরও খুঁজে বের করতে হবে।

রিজভী বলেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি আগের চেয়ে খারাপ হয়েছে—এমনটা নয়। তবে পরিস্থিতির আরও উন্নতি প্রয়োজন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে দেশে আরও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ তৈরি হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, মানুষ চায় দেশে কোনো সন্ত্রাসী ও মাদকসেবী থাকবে না। এ জন্য দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন নিশ্চিত করতে হবে।

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জীবন ও আদর্শ অনুসরণের আহ্বান জানিয়ে রিজভী বলেন, মহানবীর নীতি ও আদর্শ অনুসরণ করলে সমাজে ন্যায় প্রতিষ্ঠিত হবে এবং রাষ্ট্রে ন্যায় ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। তাঁর দেখানো পথে চললে মানুষ সত্যিকার অর্থে আলোকিত হতে পারে এবং বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা কমে যায়।

জুলাই আন্দোলনে ছাত্র-জনতার ত্যাগের কথা উল্লেখ করে রিজভী বলেন, তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বিগত ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের অবসান হয়েছে। বর্তমান সরকার সব ক্ষেত্রে জবাবদিহি নিশ্চিত করতে কাজ করছে। গণমাধ্যমের সামনে এবং সংসদে মন্ত্রীরা জবাবদিহি করছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল ও শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুস সালাম, স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সফু, সমাজকল্যাণবিষয়ক সহসম্পাদক কাজী আবুল বাশার, ছাত্রদলের সহসভাপতি ডা. তৌহিদুর রহমান আউয়ালসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।