tanaka

জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের নিয়োগ নবায়ন

বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক পদে তানজিম ইবনে ওয়াহাবের চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ আরও এক বছরের জন্য নবায়ন করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে...
প্রচ্ছদরাজনীতিসংসদে আসেন, তারপর গণভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সংসদে আসেন, তারপর গণভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

গণভোটের রায়কে সম্মান জানাতে হলে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোকে আগে সংসদে অংশ নিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, গণভোটের ফলাফল কার্যকর করতে হলে তা নিয়ে সংসদে আলোচনা হওয়া জরুরি এবং সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সন্ধ্যায় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরাম আয়োজিত এক আলোচনা সভা, দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গণভোটের রায়কে সম্মান জানাতে হলে সংসদীয় প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই তা বাস্তবায়ন করতে হবে। এজন্য রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত সংসদে এসে আলোচনায় অংশ নেওয়া। সেখানে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রয়োজনে নতুন করে শপথ নেওয়ার মতো সাংবিধানিক প্রক্রিয়াও নির্ধারিত কাঠামোর মধ্যেই সম্পন্ন হবে।

তিনি আরও বলেন, বিএনপি ‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নে অঙ্গীকারবদ্ধ। নির্বাচনের পর অনেক রাজনৈতিক দল ওই সনদে স্বাক্ষর করেছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তার ভাষায়, যারা দাবি করেন যে চক্রান্তের মাধ্যমে নির্বাচনে তাদের হারানো হয়েছে, তাদের আবার সরকার গঠনের স্বপ্ন দেখাটা বাস্তবসম্মত নয়।

সরকার সংবিধান মেনেই রাষ্ট্র পরিচালনা করছে উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, গণভোটের রায় কার্যকর করতে হলে সংসদে আলোচনা অপরিহার্য। সংসদই হচ্ছে জনগণের প্রতিনিধিদের সর্বোচ্চ ফোরাম, যেখানে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলো নেওয়া হয়।

তিনি বলেন, বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে উপরাষ্ট্রপতির পদ সৃষ্টিসহ অন্যান্য সাংবিধানিক বিষয়ও পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “আগে সংসদে আসেন, তারপর গণভোটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে। যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলোই ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। সবার অংশগ্রহণ ও আলোচনার মাধ্যমেই সংবিধান সংশোধনের মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”