ভারত নিয়ন্ত্রিত জম্মু ও কাশ্মীরের শ্রীনগরে জব্দ করা বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক একসঙ্গে বিস্ফোরিত হলে নওগাম থানায় ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে সাতজন নিহত এবং অন্তত ২৭ জন আহত হন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিহতদের বেশিরভাগই পুলিশ সদস্য ও ফরেনসিক বিভাগের কর্মকর্তা। এছাড়া শ্রীনগর প্রশাসনের দুই কর্মকর্তা এবং একজন নায়েব তহশিলদারও নিহতদের মধ্যে রয়েছেন। আহতদের ৯২ বেস হাসপাতাল ও এসকেআইএমএস–এ ভর্তি করা হয়েছে।
ঘটনার পর উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং পুরো এলাকা নিরাপত্তা চাদরে ঢেকে ফেলা হয়।
স্থানীয় গণমাধ্যম জানায়, সম্প্রতি ওই এলাকায় জইশ-ই-মোহাম্মদের পোস্টার পাওয়ার পর পুলিশ তদন্ত শুরু করে। তল্লাশিতে বড় ধরনের বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয় এবং কয়েকজন চিকিৎসকসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়।
গত অক্টোবরে আটক চিকিৎসক আদিল আহমেদ রাথের বিরুদ্ধে পোস্টার লাগানো এবং নিরাপত্তা বাহিনী ও বহিরাগতদের ওপর বড় হামলার হুমকি ছড়ানোর অভিযোগ ওঠে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি দিল্লিতে আত্মঘাতী হামলা পরিচালনাকারী একটি নেটওয়ার্কের তথ্য দেন। তার তথ্যের ভিত্তিতে ফারিদাবাদের আল–ফালাহ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক মুজাম্মিল শাকিলের নাম উঠে আসে।
পরে শাকিলের বাসায় অভিযান চালিয়ে প্রায় তিন হাজার কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট উদ্ধার করা হয়। এরপর শাকিল ও একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ডা. শাহীন সাঈদকে আটক করা হয়।



