tanaka

চীনা রাষ্ট্রদূতের বিদায়ী সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম-এর সঙ্গে বিদায়ী সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। মঙ্গলবার (২৯...
প্রচ্ছদসারাদেশরোহিঙ্গা নারীকে নাগরিক সনদ দেওয়ায় প্যানেল চেয়ারম্যান অপসারণ

রোহিঙ্গা নারীকে নাগরিক সনদ দেওয়ায় প্যানেল চেয়ারম্যান অপসারণ

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ ও ১ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য মো. লিয়াকত আলীকে দায়িত্ব থেকে অপসারণ করা হয়েছে। রোহিঙ্গা এক নারীকে নাগরিকত্ব ও চারিত্রিক সনদ দেওয়ার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কামারখন্দ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ড. বিপাশা হোসাইন। এর আগে ২৩ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ইউপি-১ শাখার উপসচিব বিষ্ণুপদ পাল স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে আদেশ জারি করা হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ভদ্রঘাট ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান-১ মো. লিয়াকত আলী বাংলাদেশের নাগরিক না হওয়া সত্ত্বেও মোছা. রোকেয়া বেগম নামে এক রোহিঙ্গা নারীকে নাগরিকত্ব সনদ প্রদান করেন। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ২০ অক্টোবর তাকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়। একই দিনে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিয়ে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

পরে লিয়াকত আলীর দেওয়া জবাব পর্যালোচনা করে তা সন্তোষজনক না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট আইন ও বিধি অনুযায়ী তাকে পদ থেকে অপসারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ইউএনও ড. বিপাশা হোসাইন বলেন, উচ্চ আদালত থেকে প্যানেল চেয়ারম্যান-১ লিয়াকত আলীর পদ বহালের বিষয়ে আবারও চার মাসের সময় বাড়ানো হয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হচ্ছে। তবে মন্ত্রণালয়ের নতুন কোনো সিদ্ধান্ত না আসা পর্যন্ত তিনি দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।

এর আগে ২০২৫ সালের ২৫ আগস্ট রোকেয়া বেগম ও তার স্বামী মো. আনিছ ভুয়া কাগজপত্রের মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) করার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ ওঠে। ওই সময় কামারখন্দ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার সন্দেহ হলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।

জিজ্ঞাসাবাদে তারা কক্সবাজারের উখিয়ার টেংখালী ক্যাম্প-১২-এর জি-৪ ব্লকের রোহিঙ্গা শরণার্থী বলে স্বীকার করেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়। ওই দিন বিকেলে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাসুদ রানা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেন। পরে পুলিশ রোকেয়া বেগম ও তার স্বামী আনিছকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।