tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়‘রাজধানীর কোন রুটে কোন কোম্পানির বাস চলবে, তা নিয়ে কাজ চলছে’

‘রাজধানীর কোন রুটে কোন কোম্পানির বাস চলবে, তা নিয়ে কাজ চলছে’

রাজধানীর বিভিন্ন রুটে কোন কোম্পানির বাস চলাচল করবে, সে বিষয়ে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে প্রতিটি রুটের বাসমালিকদের সমন্বয়ে কোম্পানিভিত্তিক পরিচালনা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সচিবালয়ের গণমাধ্যম কেন্দ্রে বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরাম (বিএসআরএফ) আয়োজিত সংলাপে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়কমন্ত্রী জানান, রাজধানীর বাস কাউন্টারগুলোকে একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কলাবাগান, কল্যাণপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় বাস কাউন্টারকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা অস্থায়ী টার্মিনালসদৃশ কার্যক্রম পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা হবে। কাউন্টারের সামনে বাস থামিয়ে যাত্রী ওঠানামার সুযোগও আর থাকবে না।

তিনি বলেন, ঢাকার সড়কে চলাচলকারী বাসগুলোকে নির্দিষ্ট মান, ফিটনেস ও সেবার মানদণ্ড বজায় রেখে পরিচালনা করতে হবে। একই সঙ্গে একীভূত রঙ ও আধুনিক সুবিধাসম্পন্ন বাস পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকার পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক যানবাহন ব্যবহারে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে এবং এ বিষয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

রাজধানীর চারটি আন্তঃজেলা বাস টার্মিনাল স্থানান্তরের পরিকল্পনার কথাও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লাগতে পারে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, গাবতলী বাস টার্মিনাল হেমায়েতপুরে, মহাখালী বাস টার্মিনাল উত্তরার আবদুল্লাহপুরসংলগ্ন এলাকায়, সায়েদাবাদ বাস টার্মিনাল কাঁচপুরে এবং ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনাল কেরানীগঞ্জে স্থানান্তর করা হবে।

তিনি আরও জানান, মহাখালী বাস টার্মিনালের জন্য আবদুল্লাহপুরসংলগ্ন এলাকায় ৫০ বিঘা জমি অধিগ্রহণের কার্যক্রম চলমান রয়েছে।