tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদআন্তর্জাতিকযুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করলেন ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করলেন ট্রাম্প

২০২৬ অর্থবছরের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশের সর্বোচ্চ সীমা ৭ হাজার ৫০০ জন পর্যন্ত নির্ধারণ করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এটি দেশটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন সীমা বলে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত হোয়াইট হাউসের এক নথিতে বলা হয়, এই সীমিত সংখ্যক শরণার্থীর মধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ জনগোষ্ঠীকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। ঘোষণায় ট্রাম্প উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র এবার এমন ব্যক্তিদের ওপর গুরুত্ব দেবে যারা নিজ দেশে অবৈধ বা অন্যায় বৈষম্যের শিকার হয়েছেন।

ট্রাম্পের দাবি, দক্ষিণ আফ্রিকার শ্বেতাঙ্গ আফ্রিকানরা কৃষ্ণাঙ্গ সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশটিতে বর্ণভিত্তিক নিপীড়নের মুখে রয়েছে। তবে দক্ষিণ আফ্রিকার সরকার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

দায়িত্ব গ্রহণের পর ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে শরণার্থী প্রবেশ সাময়িকভাবে স্থগিত করেছিলেন। তার বক্তব্য ছিল, “যুক্তরাষ্ট্রে কাউকে কেবল তখনই আশ্রয় দেওয়া হবে, যখন তা দেশের সর্বোত্তম স্বার্থে হবে।” ওই ঘোষণার কয়েক সপ্তাহ পর তিনি শ্বেতাঙ্গ আফ্রিকানদের জন্য বিশেষ শরণার্থী সুযোগ তৈরির সিদ্ধান্ত নেন, যা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, সেপ্টেম্বরের শুরুর দিক পর্যন্ত মাত্র ১৩৮ জন দক্ষিণ আফ্রিকান যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি পেয়েছেন।

অভ্যন্তরীণ সরকারি নথি অনুযায়ী, প্রশাসন ইউরোপের কিছু নাগরিককেও অগ্রাধিকার দিতে পারে—যদি তারা অভিবাসনবিরোধী মতাদর্শ বা জনতাবাদী রাজনীতির সমর্থনের কারণে নিজ দেশে বৈষম্যের শিকার হন। তবে ট্রাম্পের প্রকাশিত ঘোষণায় ইউরোপীয়দের নাম উল্লেখ করা হয়নি।

মার্কিন আইনে শরণার্থী সীমা নির্ধারণের আগে কংগ্রেসের সঙ্গে পরামর্শ করা বাধ্যতামূলক। কিন্তু ডেমোক্র্যাট সদস্যরা জানিয়েছেন, ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এমন কোনো বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়নি।

প্রতিনিধি জেমি রাসকিন, সিনেটর ডিক ডারবিনসহ একাধিক আইনপ্রণেতা এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, “এই অদ্ভুত প্রেসিডেন্টশিয়াল সিদ্ধান্ত কেবল নৈতিকভাবে অগ্রহণযোগ্য নয়, এটি আইনগতভাবেও অবৈধ ও অকার্যকর।”

প্রশাসনের এক কর্মকর্তা জানান, শাটডাউনের কারণে সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বিলম্ব হচ্ছে। যতদিন শাটডাউন চলবে, ততদিন কোনো শরণার্থী প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে না।