মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বাড়তে থাকা নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় এয়ারলাইনসগুলো একের পর এক ফ্লাইট বাতিল কিংবা সীমিত করছে। যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা তীব্র হওয়ায় ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে চলাচলকারী বহু ফ্লাইট এখন মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমা এড়িয়ে বিকল্প রুট ব্যবহার করছে।
রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, দুবাই, বাগদাদ, এরবিল, তেল আবিব, বৈরুত, দোহা, রিয়াদ ও আবুধাবিগামী ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত বা সীমিত করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বিমান সংস্থা।
গ্রিসের এজিয়ান এয়ারলাইনস আগস্টের শেষ পর্যন্ত দুবাই রুটের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। একইসঙ্গে ইরাকের বাগদাদ ও এরবিলগামী ফ্লাইট জুলাই পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অন্যদিকে তুরস্কের পেগাসাস এয়ারলাইনস ইরাক, ইরান, কুয়েত, বাহরাইন, রিয়াদ ও আবুধাবিগামী ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত করেছে।
জার্মানির লুফথানসা গ্রুপও বাগদাদ, তেহরান, বৈরুত, দুবাই ও রিয়াদসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যে ফ্লাইট বন্ধের সময়সীমা আরও বাড়িয়েছে। এছাড়া এয়ার ফ্রান্স, কেএলএম, জাপান এয়ারলাইনস, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইনস, ব্রিটিশ এয়ারওয়েজ ও এয়ার কানাডাও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন রুটে ফ্লাইট বাতিল বা সীমিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান সামরিক উত্তেজনা এবং আকাশপথের নিরাপত্তা নিয়ে বাড়তে থাকা উদ্বেগের কারণেই আ
ন্তর্জাতিক এয়ারলাইনসগুলো সতর্ক অবস্থান নিয়েছে। এর ফলে মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের ভোগান্তি যেমন বাড়ছে, তেমনি বৈশ্বিক বিমান চলাচলেও পড়ছে বড় ধরনের প্রভাব।



