tanaka

জলবায়ু অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণে উন্নত দেশগুলোকে আহ্বান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোকে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি পূরণ, ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য তহবিল পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করা এবং প্রযুক্তি হস্তান্তরে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন...
প্রচ্ছদজাতীয়বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায় ইইউ

বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন দেখতে চায় ইইউ

বাংলাদেশের বর্তমান নির্বাচনী পরিবেশকে ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নির্বাচন পর্যবেক্ষক মিশনের প্রধান ইভারস ইহাবস। গতকাল সকালে রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ৯০ জন পর্যবেক্ষক পাঠানোর আগে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়।

ইভারস ইহাবস বলেন, তারা বিভিন্ন প্রার্থী ও দেশের নানা স্থানে সরকারি কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলেছেন। সামগ্রিক পরিবেশকে তারা ইতিবাচক ও আশাব্যঞ্জক হিসেবে দেখছেন। যাদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে, তাদের অধিকাংশই মনে করেন—এই নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাস ও গণতন্ত্রের জন্য একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা করতে পারে।

তিনি জানান, এবারের নির্বাচনে ইইউ বাংলাদেশে তাদের সবচেয়ে বড় পর্যবেক্ষক মিশন পাঠিয়েছে। এই মিশনে দুই শতাধিক পর্যবেক্ষক রয়েছেন। জানুয়ারির শুরু থেকে অন্তত ৬০ জন দীর্ঘমেয়াদি পর্যবেক্ষক মাঠপর্যায়ে কাজ করছেন। এছাড়া ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সাত সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল ইতোমধ্যে ঢাকায় পৌঁছেছে। নরওয়ে, সুইজারল্যান্ড ও কানাডার পর্যবেক্ষকরাও এ দলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।

ইহাবস বলেন, স্বল্পমেয়াদি পর্যবেক্ষকদের সারা দেশে পাঠানো হচ্ছে। তারা মূলত ভোটগ্রহণ ও ভোট গণনা প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করবেন। আমরা একটি বিশ্বাসযোগ্য ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন প্রত্যাশা করছি।

সহিংসতার কোনো ঘটনা নজরে এসেছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। তবে এ মুহূর্তে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করা হবে না। আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত অন্তর্বর্তীকালীন প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরা হবে। আর নির্বাচনের প্রায় দুই মাস পর প্রকাশ করা হবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপতথ্য ছড়ানোর প্রসঙ্গে ইহাবস বলেন, এটি শুধু বাংলাদেশের নয়, অনেক গণতান্ত্রিক দেশের জন্যই উদ্বেগের বিষয়। চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এ বিষয়টি উল্লেখ থাকবে।

নির্বাচনে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্বেগ নিয়ে তিনি বলেন, ইইউ একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনী প্রক্রিয়ার ওপর জোর দিচ্ছে। নারীসহ সব সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।