ভারতের মাটিতে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ নেবে কি না, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আগামী ২১ জানুয়ারির মধ্যে নেওয়া হবে। শনিবার ঢাকায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বৈঠক শেষে এই সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে। খবরটি জানিয়েছে ইএসপিএনক্রিকইনফো।
এক সপ্তাহের ব্যবধানে এটি ছিল বিসিবি ও আইসিসির দ্বিতীয় বৈঠক। সেখানে বিসিবি আবারও নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা তুলে ধরে জানায়, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতে খেলতে তারা আগ্রহী নয়। একই সঙ্গে ভারতের পরিবর্তে শ্রীলঙ্কায় ম্যাচ আয়োজনের প্রস্তাবও দেওয়া হয়। তবে আইসিসি তাদের অবস্থানে অনড় রয়েছে এবং জানিয়ে দিয়েছে, মূল সূচিতে পরিবর্তনের কোনো সম্ভাবনা নেই।
গত প্রায় তিন সপ্তাহ ধরে এ বিষয়ে অচলাবস্থা চলমান রয়েছে। গত ৪ জানুয়ারি প্রথমবারের মতো নিজেদের নিরাপত্তা–সংক্রান্ত উদ্বেগের কথা আইসিসিকে জানায় বিসিবি। সূচি অনুযায়ী, উদ্বোধনী দিনেই কলকাতায় ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে মাঠে নামার কথা বাংলাদেশের। একই ভেন্যুতে পরবর্তী দুটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচটি হওয়ার কথা মুম্বাইয়ে।
শনিবারের বৈঠকে বিসিবির আরেকটি প্রস্তাবও নাকচ করে দেয় আইসিসি। গ্রুপ ‘বি’-তে আয়ারল্যান্ডের পরিবর্তে বাংলাদেশকে অন্তর্ভুক্ত করার অনুরোধ জানানো হয়েছিল, তবে সেটিও গ্রহণ করা হয়নি।
আইসিসি জানিয়েছে, ভারতের ভেতরে বাংলাদেশ দলের জন্য কোনো নির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে তারা মনে করে।
আইসিসি-বিসিবি আলোচনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, বর্তমানে আইসিসি বিসিবির চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় রয়েছে। যদি বিসিবি বাংলাদেশ দলকে ভারতে যাওয়ার অনুমতি না দেয়, তাহলে আইসিসি বিকল্প দল ঘোষণা করতে পারে। সেক্ষেত্রে বর্তমান র্যাঙ্কিং অনুযায়ী স্কটল্যান্ডের বিশ্বকাপে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।



