tanaka
প্রচ্ছদখেলাবিপিএল হচ্ছে না, ঘরোয়া ক্রিকেটে বাড়ছে ম্যাচ ফি

বিপিএল হচ্ছে না, ঘরোয়া ক্রিকেটে বাড়ছে ম্যাচ ফি

আগামী মৌসুমে মাঠে গড়াচ্ছে না বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল)। ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক এই টুর্নামেন্টকে আরও পরিকল্পিত ও গোছানোভাবে আয়োজনের প্রস্তুতি নিতে এক মৌসুম বিরতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)।

বৃহস্পতিবার বিকেলে হঠাৎ সংবাদ সম্মেলনে এসে বিষয়টি জানান বিসিবি সভাপতি তামিম ইকবাল। এর আগে দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি বলেছিলেন, জোড়াতালি দিয়ে আর বিপিএল আয়োজন করতে চান না তারা।

তবে বিপিএল স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। বরং টুর্নামেন্টটির ভবিষ্যৎ কাঠামো ও আয়োজন আরও কার্যকর করার দিকেই নজর দিচ্ছে বর্তমান বোর্ড।

বিপিএল না হওয়ায় ক্রিকেটারদের আর্থিক ক্ষতির বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বিসিবি। এ নিয়ে ক্রিকেটারদের সংগঠন কোয়াবের সঙ্গে ইতোমধ্যে দুই দফা বৈঠক করেছে বোর্ড। পরিচালকদের বৈঠক শেষে ক্রিকেটারদের আর্থিক সুবিধা বাড়ানোর সিদ্ধান্তের কথা জানান তামিম।

তিনি বলেন, ঘরোয়া ক্রিকেটের ম্যাচ ফি বাড়ানো হবে। এর ফলে একজন ক্রিকেটার পুরো মৌসুম ঘরোয়া ক্রিকেটে অংশ নিলে বছরে প্রায় ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবেন।

তামিম বলেন, ‘কোয়াবের সঙ্গে দুটি মিটিং হয়েছে। তারা একটা প্রস্তাব দিয়েছে, আমরা কাউন্টার প্রস্তাব দিয়েছি। পরে আবার বসেছি। এরপর নিজেদের মিটিং করার জন্য সময় নিয়েছি। কোয়াবের সিনিয়রদের সঙ্গে আলাপ করেছি। সবাই অনেক খুশি। একজন খেলোয়াড় ঘরোয়া ক্রিকেটের পুরো সিজন খেললে বছরে ৩৫-৪০ লাখ টাকা করে পাবে।’

ক্রিকেটারদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে জোর

ক্রিকেটারদের সঙ্গে বোর্ডের সম্পর্ক আরও ভালো করার ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন বিসিবি সভাপতি। তিনি বলেন, ক্রিকেটারদের সেবা করার লক্ষ্যেই বোর্ডে এসেছেন তারা। তাই খেলোয়াড়দের সঙ্গে বোর্ডের সম্পর্ক খারাপ হওয়ার কোনো কারণ নেই।

তামিম বলেন, ‘আমরা এখানে ক্রিকেটারদের সার্ভ করার জন্য এসেছি। আমাদের সঙ্গে ক্রিকেটারদের সম্পর্ক খারাপ হওয়ার তো প্রশ্নই আসে না। বরং ভালো হওয়া দরকার। কারণ অনেক সময় অনেক বেইজ্জতি করা হয়েছে ক্রিকেটারদের।’

নিজে দীর্ঘদিন জাতীয় দলের ক্রিকেটার থাকায় খেলোয়াড়দের বাস্তবতা বোঝেন বলেও উল্লেখ করেন তামিম।

তিনি বলেন, ‘আমি নিজেই যেহেতু ক্রিকেটার ছিলাম, ক্রিকেট খেলেছি তাদের সঙ্গে। তাদের ভালো-খারাপ কিছুটা হলেও বোঝার সামর্থ্য আল্লাহ আমাকে দিয়েছেন। তাদের জন্য আমার যেটা করা দরকার হবে, আমি তাই করব।’

বিপিএল এক মৌসুম মাঠে না গড়ালেও ঘরোয়া ক্রিকেটের কাঠামো শক্তিশালী করা এবং ক্রিকেটারদের আর্থিক নিরাপত্তা বাড়ানোর দিকে এখন বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে বিসিবি।