গৃহায়ণ ও গণপূর্ত উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান জানিয়েছেন, মন্ত্রীদের জন্য মোট ৩৭টি সরকারি বাসভবন প্রস্তুত রয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) যে সিদ্ধান্ত নেবে এবং যেভাবে চায়, সেভাবেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের ব্যবস্থা করা হবে। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের বাসভবনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে গণপূর্ত উপদেষ্টা এসব তথ্য জানিয়েছেন।
উপদেষ্টা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন বিষয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে এবং তারা যেভাবে চান, সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের জন্য এখন পর্যন্ত রাজধানীর মিন্টু রোড, হেয়ার রোড, ধানমন্ডি ও গুলশান এলাকায় মোট ৩৭টি বাড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে। প্রয়োজনে আরও কিছু বাড়ি তৈরি করার ব্যবস্থা চলছে এবং শপথগ্রহণের সময় এগুলো কার্যকর করা হবে।
তিনি আরও বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে এই সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছিল। ১৮ মাস ধরে জনগণের স্বার্থে কাজ করার চেষ্টা করা হয়েছে। গত সাড়ে ১৫ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে দেশকে নতুন গতিতে এগিয়ে নেওয়ার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে এবং জনগণের কাছে নিজেদের কর্মকাণ্ডের জন্য দায়বদ্ধ থাকার চেষ্টা করা হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেন, দুর্নীতি নিয়ে প্রকাশিত টিআইবির রিপোর্টের বিষয়ে তাদেরকে সরাসরি জিজ্ঞেস করতে হবে। তিনি মনে করেন, জনগণের অভিজ্ঞতা ও টিআইবির রিপোর্ট এক নয়। ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের সময় যারা রাস্তায় ছিলেন, তাদের সঙ্গে কথা বললে হয়তো চিত্র ভিন্ন হতে পারে।
উপদেষ্টা উল্লেখ করেন, অনেক স্থানে সংস্কারের কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। তবে কিছু স্থানে সংস্কার সম্পন্ন হয়নি এবং আশা করা হচ্ছে, সেগুলোও শিগগির শেষ করা হবে।



