tanaka

ইতালিতে বাঁধনের ওপর হামলার প্রতিবাদ সংসদে

ইতালির ভেনিসে অভিনেত্রী ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম সংগঠক আজমেরী হক বাঁধনের ওপর হামলা ও হেনস্তার ঘটনায় জাতীয় সংসদে প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনের...
প্রচ্ছদরাজনীতি‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তনের দাবি এমপি মারদিয়ার

‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তনের দাবি এমপি মারদিয়ার

দেশের বিভিন্ন লাইব্রেরি ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ কর্নারের’ নাম পরিবর্তন করে ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ করার প্রস্তাব দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) মারদিয়া মমতাজ।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে সম্পূরক প্রশ্নের মাধ্যমে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরীর কাছে এ প্রস্তাব তুলে ধরেন তিনি।

জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী প্রস্তাবটিকে স্বাগত জানিয়ে এ বিষয়ে একটি লিখিত রূপরেখা এবং সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরিগুলোর তালিকা দেওয়ার অনুরোধ করেন। বিষয়টি আলোচনা করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস দেন তিনি।

সংসদে সম্পূরক প্রশ্ন উত্থাপনকালে মারদিয়া মমতাজ বলেন, বিগত সরকারের সময়ে একটি প্রকল্পের আওতায় প্রায় সাড়ে ২২ কোটি টাকা ব্যয়ে দেশের সরকারি-বেসরকারি পাঠাগার ও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ‘মুজিব কর্নার’ স্থাপন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর এসব কর্নারের নোটিশ ও শিরোনাম সরিয়ে নেওয়া হলেও সংশ্লিষ্ট পাঠাগারগুলো বর্তমানে অনেকটা অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছে।

বিভিন্ন সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, ওই প্রকল্পের আওতায় প্রায় ৬৫ হাজার ৭০০ কপি বই সরবরাহ করা হয়েছিল। এসব বইয়ের মধ্যে ‘বঙ্গবন্ধুর প্রিয় খাবার’সহ মাত্র আটটি নির্দিষ্ট বিষয়ের বই ছিল।

মারদিয়া মমতাজ সংস্কৃতিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, এসব লাইব্রেরি ও কর্নার সংস্কার করে সেখানে মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের স্মৃতি সংবলিত ‘মুক্তিযুদ্ধ ও জুলাই কর্নার’ স্থাপন করা যেতে পারে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কল্যাণকর একটি উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ বিষয়ে সরকারের কোনো পরিকল্পনা রয়েছে কি না—সংসদে মন্ত্রীর কাছে তা জানতে চান তিনি।

জবাবে সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেন। তিনি মারদিয়া মমতাজকে এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ তৈরি করে সংশ্লিষ্ট লাইব্রেরিগুলোর তালিকাসহ সরাসরি চিঠির মাধ্যমে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার অনুরোধ জানান।

সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, দেশের সরকারি গণগ্রন্থাগার ও পাবলিক লাইব্রেরিগুলো জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। পাশাপাশি জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রের অধীন বেসরকারি লাইব্রেরিগুলো গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।