tanaka

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা ও রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে রিট

জাতীয় সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট দিলে সংসদ সদস্যের আসন শূন্য হওয়ার বিধানসংবলিত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বৈধতা এবং রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল নিয়ে হাইকোর্টে রিট করা...
প্রচ্ছদসারাদেশবগুড়ায় যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রেফতার

বগুড়ায় যুব মহিলা লীগ নেত্রী গ্রেফতার

বগুড়ায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হত্যাচেষ্টা মামলায় জেলা যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আইভি আকতার নূপুরকে (৪০) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) সকালে বগুড়া সিটি করপোরেশনের কর্মস্থল থেকে সদর থানা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই আবদুল্লাহ আল সাদিক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ, মামলার এজাহার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আইভি আকতার নূপুর বগুড়া মহানগরীর শিববাটি শাহী মসজিদ লেনের মৃত নজমল হোসেন তোতার মেয়ে। তিনি জেলা যুব মহিলা লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বগুড়া সিটি করপোরেশনের বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মী।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে নূপুরকে তার কর্মস্থল থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার এসআই আবদুল্লাহ আল সাদিক বলেন, রাজনৈতিক ওই মামলার এজাহারে নূপুরের নাম ছিল না। তবে তদন্তে তার নাম আসায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

যে মামলায় গ্রেফতার

বগুড়া মহানগরীর পশ্চিম বৃন্দাবনপাড়ার নূর হোসেন মন্ডলের ছেলে মো. আলিফ (২৫) গত বছরের ২৪ ডিসেম্বর সদর থানায় হত্যাচেষ্টা মামলাটি করেন।

মামলায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে প্রধান আসামি করে ২০২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামাসহ মোট ৩০২ জনকে আসামি করা হয়েছে।

এজাহারে বাদী দাবি করেন, তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একজন সক্রিয় সদস্য। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট বিকেলে ছাত্র-জনতার মিছিল নিয়ে বগুড়া মহানগরীর চাঁদনীবাজার এলাকায় পৌঁছালে হামলার ঘটনা ঘটে।

মামলার এজাহার অনুযায়ী, তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নির্দেশে তার মদদপুষ্ট আসামিরা ককটেল, হাতবোমাসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মিছিলে হামলা চালায় এবং হত্যার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে মিছিলে ককটেল ও বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করা হয়।

বাদীর অভিযোগ, এ সময় গুলিতে তার কপাল, বুক ও উরুতে জখম হয় এবং তিনি মাটিতে পড়ে যান। পরে অন্য আসামিরা তাকে ও আন্দোলনকারীদের মারধর করে গুরুতর আহত করে।

এজাহারে আরও বলা হয়, বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা নেওয়ার পর সুস্থ হয়ে মো. আলিফ মামলাটি করেন।

তবে মামলার অভিযোগগুলো আদালতে প্রমাণিত হওয়া সাপেক্ষে চূড়ান্তভাবে দায় নির্ধারিত হবে।