ফরাসি ব্যবসায়ী ফ্রেদেরিক আর্নল্টের সঙ্গে লিসার সম্পর্কের গুঞ্জন থামার পর এবার নতুন করে আলোচনায় এসেছেন থাই অভিনেতা ব্লু পংতিওয়াত। সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে, ব্ল্যাকপিংক তারকা লিসা ও পংতিওয়াত সম্পর্কে জড়িয়েছেন।
সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীদের কেউ কেউ দাবি করেছেন, থাইল্যান্ডের পাশাপাশি হংকং ও জাপানেও লিসা ও পংতিওয়াতকে একসঙ্গে দেখা গেছে। এমনকি থাইল্যান্ডে লিসার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও পংতিওয়াত সময় কাটিয়েছেন বলেও কেউ কেউ দাবি করছেন।
এসব ঘটনা থেকেই তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
তবে এসব দাবি নিয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শও দিচ্ছেন অনেকে। তাঁদের মতে, লিসা ও পংতিওয়াত কয়েক বছর ধরে ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাই শুধু একসঙ্গে দেখা যাওয়া বা সামাজিকমাধ্যমে ছবি প্রকাশের ভিত্তিতে তাঁদের প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছানো ঠিক নয়।
জন্মদিনে লিসাকে শুভেচ্ছা
গত এপ্রিলেও লিসার জন্মদিনে তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন পংতিওয়াত। সামাজিকমাধ্যমে দুজনের একসঙ্গে তোলা কয়েকটি ছবি প্রকাশ করে তিনি লিখেছিলেন, ‘চিয়ার্স টু ইউ, রকস্টার!’
তখনও ছবিগুলো নিয়ে ভক্তদের মধ্যে আলোচনা হয়েছিল। নতুন করে প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ার পর সেই ছবিগুলো আবারও আলোচনায় এসেছে।
২০০০ সালে জন্ম নেওয়া পংতিওয়াত লিসার চেয়ে তিন বছরের ছোট। অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি গায়ক ও মডেল হিসেবেও কাজ করেন।
নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘রেডি, সেট, লাভ’-এ অভিনয়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক দর্শকের কাছে পরিচিতি পান তিনি। দক্ষিণ কোরিয়ায় তাঁকে ‘থাইল্যান্ডের চা উন-উ’ নামেও ডাকা হয়।
ফ্রেদেরিকের সঙ্গে সম্পর্কের কী হলো?
এর আগে ফরাসি ব্যবসায়ী ফ্রেদেরিক আর্নল্টের সঙ্গে লিসার প্রেমের গুঞ্জন ছিল। এলভিএমএইচের চেয়ারম্যান বার্নার্ড আর্নল্টের ছেলে ফ্রেদেরিকের সঙ্গে ২০২৩ সাল থেকে লিসার সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা চলে আসছে।
বিভিন্ন সময়ে তাঁদের একসঙ্গে দেখা গেলেও দুজনের কেউই প্রকাশ্যে সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি।
সম্প্রতি ফ্রেদেরিকের সঙ্গে লিসার সম্পর্কের ইতি ঘটেছে—এমন খবরও ছড়িয়েছে। তবে এ বিষয়েও লিসা বা ফ্রেদেরিক কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য করেননি।
তাই পংতিওয়াতের সঙ্গে লিসার সম্পর্কের বিষয়টিও আপাতত সামাজিকমাধ্যমের গুঞ্জন হিসেবেই রয়েছে; দুজনের কেউ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রেমের সম্পর্কের কথা জানাননি।



