tanaka
প্রচ্ছদখেলাফের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ জেরার্ড জোন্সের

ফের নিরাপত্তাহীনতার অভিযোগ জেরার্ড জোন্সের

  1. সহকারী কোচ আতিকুর রহমান মিশুর সঙ্গে হাতাহাতি ও পুলিশের সহায়তা নেওয়ার ঘটনার কয়েক দিন পর আবারও নিজের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ জাতীয় ফুটবল দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্স। সোমবার রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ব্রিটিশ এই কোচ দাবি করেন, কর্মস্থলে তিনি শারীরিক হামলার শিকার হয়েছেন।

    জোন্সের ভাষ্য, আত্মরক্ষার প্রয়োজনেই তাকে পুলিশের সহায়তা নিতে হয়েছিল। ঘটনার পর বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনকে (বাফুফে) বিষয়টি জানানোর পাশাপাশি শরীরে পাওয়া আঘাতের ছবিও পাঠিয়েছিলেন তিনি। তবে বাফুফের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সহযোগিতা ও সমর্থন পাননি বলে অভিযোগ করেন এই কোচ।

    ভিডিও বার্তায় জোন্স বলেন, কর্মক্ষেত্রে হামলার শিকার হওয়ার পর নিজের নিরাপত্তার কথা ভেবেই পুলিশ ডাকতে বাধ্য হন তিনি। বাফুফেকে জানানোর পরও প্রয়োজনীয় সহায়তা না পাওয়ায় এখনো নিজেকে পুরোপুরি নিরাপদ মনে করছেন না বলেও জানান তিনি।

    প্রয়োজনে ঘটনার সমর্থনে ছবি, অডিও রেকর্ড এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য প্রমাণ হিসেবে উপস্থাপন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন জোন্স। একই সঙ্গে গোলকিপিং কোচ আতিকুর রহমান মিশুর সঙ্গে তার কোনো ব্যক্তিগত বিরোধ নেই বলেও দাবি করেন তিনি।

    জোন্স জানান, মিশুর সঙ্গে তার সম্পর্ক বরং ভালো। তারা নিয়মিত হাসি-ঠাট্টা করেন, একে অপরের কক্ষে যান এবং দলের কৌশল নিয়েও আলোচনা করেন। তার অভিযোগ, কোনো একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ভুল তথ্য ছড়িয়ে পরিস্থিতিকে জটিল করার চেষ্টা করছে।

    ঘটনার তথ্য প্রকাশের পেছনে ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ থাকতে পারে বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন জোন্স। দীর্ঘ কোচিং ক্যারিয়ারে কর্মক্ষেত্রে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি আগে কখনো হননি বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি নিরাপত্তার জন্য পুলিশ বা ব্রিটিশ দূতাবাসের সহায়তা নেওয়ারও প্রয়োজন হয়নি বলে জানান এই কোচ।

    দলের প্রস্তুতিতে প্রভাব চান না

    অস্বস্তিকর এই পরিস্থিতির প্রভাব দলের প্রস্তুতি কিংবা খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে পড়তে দিতে চান না জেরার্ড জোন্স। সামনে এএফসি অনূর্ধ্ব-২০ বাছাইপর্ব থাকায় দলের প্রস্তুতি ও মাঠের পারফরম্যান্সেই মনোযোগ দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

    এর আগে গত বুধবার ঢাকার একটি হোটেলে জোন্স ও মিশুর মধ্যে কথাকাটাকাটির একপর্যায়ে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে জোন্স ৯৯৯ নম্বরে ফোন করে পুলিশকে খবর দেন। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলেও শেষ পর্যন্ত বড় ধরনের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।