প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি) বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়ালকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। তিনি বর্তমানে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) উপাচার্য এবং খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
রোববার (১৫ মার্চ) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখার উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১৭ মার্চ) রাত ৮টা ১৯ মিনিটে বিএনপির মিডিয়া সেলের ফেসবুক পেজেও তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়ালকে এ পদে নিয়োগের শর্ত হিসেবে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের সঙ্গে তার কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগ করতে হবে।
আরও বলা হয়েছে, যোগদানের তারিখ থেকে প্রধানমন্ত্রীর মেয়াদকাল বা প্রধানমন্ত্রীর সন্তুষ্টি—যেটি আগে ঘটবে—ততদিন পর্যন্ত তিনি সচিব পদমর্যাদা ও প্রাপ্য অন্যান্য সুযোগ-সুবিধাসহ এ দায়িত্ব পালন করবেন। নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে।
প্রসঙ্গত, ড. এস এম আব্দুল আওয়াল খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ডিসিপ্লিন থেকে ২০০৪ সালে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে ২০০৯ সালে বেলজিয়ামের ক্যাথলিক ইউনিভার্সিটি অব লিউভেন থেকে আণবিক জীববিজ্ঞানে স্নাতকোত্তর এবং ২০১৫ সালে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের চার্চিল কলেজ থেকে পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেন।
এ ছাড়া তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলে-এ দুই বছর পোস্টডক্টরাল গবেষক হিসেবে কাজ করেছেন। একই বিশ্ববিদ্যালয়ের Beahrs Environmental Leadership প্রোগ্রামের একজন আউটস্ট্যান্ডিং অ্যালামনাই হিসেবেও স্বীকৃতি পান।
পরবর্তীতে বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটিতে দুই বছর রিসার্চ সায়েন্টিস্ট হিসেবে জিন (অ্যালিল) অনুসন্ধান প্রকল্পে কাজ করেন। সেখানে তিনি কম্পিউটেশনাল বায়োলজি ও ডাটা সায়েন্স পদ্ধতি ব্যবহার করে জোয়ার (sorghum)-এর উচ্চ ফলনশীল ও খরা-সহনশীল জাত উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। এই প্রকল্পের লক্ষ্য ছিল আফ্রিকার দরিদ্র জনগোষ্ঠীর খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।



